কাইল এডমুন্ডের বিপক্ষে ইউএস ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচটি যে কঠিন হবে, তা আগ থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন নোভাক জকোভিচ। প্রথম সেটটা জিতে ‘জোকার’ এর ব্রিটিশ প্রতিপক্ষ তা সত্যিই করে দেখিয়েছিলেন। তবে পরের গল্পটা সার্বিয়ান তারকার প্রত্যাবর্তনের। ৬-৭, ৬-৩, ৬-৪, ৬-২ গেমে জিতে জকোভিচ পা রেখেছেন প্রতিযোগিতার তৃতীয় রাউন্ডে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত অপরাজিত জকোভিচ। তার বিপক্ষে খেলার আগে এডমুন্ডের প্রেরণা ছিল বছর দুয়েক আগে উইম্বলডনের একটি লড়াই, যেখানে জকোভিচের বিপক্ষে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও চার সেটে হেরেছিলেন তিনি।
সে অনুপ্রেরণা থেকেই কি না, এডমুন্ড প্রথম সেটটা নিয়ে গেলেন টাই ব্রেকে। জিতলেন ৭-৪ গেমে! তবে এরপর বিশ্বসেরা টেনিস তারকার তীব্রতার কাছেই হার মানতে হয় তাকে।
পরের তিনটি সেট জিতে সার্বিয়ান তারকা কোর্ট ছেড়ে এসে জানালেন, ফ্ল্যাশিং মিডোর তীব্র গরম আর আদ্রতায় ভুগতে হয়েছে তাকে। অবসাদও ছিল বৈকি, মাত্র একদিন আগেই যে খেলেছিলেন নিজের উদ্বোধনী ম্যাচটা। জকোভিচের ভাষ্য, ‘আমরা কতটা ঘামছিলাম তা হয়তো দেখে থাকবেন। এটাই গ্র্যান্ড স্ল্যাম, শীর্ষ পাঁচের একটি।’
করোনাসৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত বিরতির পর টেনিস কোর্টে ফিরলেও দর্শকরা কবে গ্যালারিতে ফিরবেন তার হদিস নেই আদৌ। টেনিসে যেখানে খেলোয়াড়রা একাই লড়েন কোর্টে, তখন দর্শকদের কোলাহল বড় অনুপ্রেরণার একটা বড় অংশ যোগায় তাদের। কিন্তু এখন সে কোলাহল ফেরানোর জো টি নেই।
দর্শক আর তাদের যোগানো প্রাণশক্তির অভাব ভালোভাবেই ভোগাচ্ছে জকোভিচকে। সার্বিয়ান তারকার ভাষায়, ‘ভক্তদের শূন্যতাবোধে ভুগছি। তাদের কোলাহল আর প্রাণশক্তির অভাববোধও অনুভূত হচ্ছে। সে প্রাণশক্তিটাকে কোর্টে টেনে আনতে পছন্দ করি আমি।’
বিশ্বসেরা এই তারকার দম ফেলার ফুরসত নেই ইউএস ওপেনে। ১৮তম গ্র্যান্ড স্ল্যামের খোঁজে থাকা এই তারকা আজই আবার মাঠে নামছেন জার্মান প্রতিপক্ষ ইয়ান লেনার্ড স্ট্রাফের বিপক্ষে।
দিনের অন্য ম্যাচে স্টেফানোস সিটসিপাস ৭-৬, ৬-৩, ৬-৪ গেমে ম্যাক্সিম ক্রিসির বিপক্ষে আর দেনিস শাপোভালভ ৬-৭, ৬-৪, ৬-৪, ৬-২ গেমে কোন সুন উর বিপক্ষে জয় নিয়ে পরের পর্বে উঠে গেছেন। নারী এককে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে আজ সকালে মাঠে নামবেন সেরেনা উইলিয়ামস।
