বাউফলে জোড়া খুন মামলার বাদী ও সাক্ষী আতঙ্কে

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:১৯

পটুয়াখালীর বাউফলে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জোড়া খুনের মামলার প্রধান আসামি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন লাভলু উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন। পুলিশের হাতে গ্রেফতার ১৩ আসামি কারাগারে। শনাক্ত ৫৯ জন ও বাকি অজ্ঞাত আসামিরা পলাতক রয়েছে। এ অবস্থায় মামলার বাদী ও সাক্ষীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন মামলার বাদি।

বাউফল উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সালাউদ্দিন পিকু ও সাধারণ সম্পাদক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভলুর মধ্যে স্থানীয় প্রভাব বিস্তার নিয়ে গত ২ আগস্ট সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সালাউদ্দিন পিকুর সহোদর যুবলীগ নেতা রাকিব উদ্দিন রোমান ও চাচাতো ভাই ইশাত তালুকদার খুন হয়। এ ঘটনায় নিহত রোমানের বড় ভাই মফিজ উদ্দিন মিন্টু বাদী হয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কেশবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভলুকে প্রধান আসামি করে ৫৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১৫/১৬ জনের বিরুদ্ধে বাউফল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই খুনের ঘটনায় বাউফল থানা পুলিশ ১৩ জনকে গ্রেফতার করে। তারা এখন জেলহাজতে রয়েছে। এদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের এক সভায় মহিউদ্দিন লাভলুর বিরুদ্ধে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠায় তাকে দলের ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

মামলার বাদী নিহত রোমানের বড় ভাই মফিজ উদ্দিন মিন্টু বলেন, প্রধান আসামি মহিউদ্দিন লাভলু উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের জামিন পেয়েছে। এদিকে, অনেক আসামি এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় আমাদের পরিবার এবং সাক্ষীরা আতঙ্কে আছে। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এই মামলায় এ পর্যন্ত ১৩ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। প্রধান আসামি মহিউদ্দিন লাভলু উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান, আমিও শুনেছি; কিন্তু এর কোনো কাগজ আমরা এখনো পাইনি