ইত্তেফাক রিপোর্ট
আগামী ২০২২ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ৩৬তম এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন আয়োজন করবে বাংলাদেশ। ১৯৭৩ সালে খাদ্য ও কৃষি সংস্থাতে (এফএও) যোগদানের পর প্রথম বারের মতো বাংলাদেশ এই সম্মান পেয়েছে। এর মাধ্যমে এই অঞ্চলের দেশগুলোর অর্জন, সাফল্য, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বিষয়ে মতবিনমিয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএওর) ৩৫তম এশিয়া ও প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৩৬তম সম্মেলন বাংলাদেশে আয়োজনের বিষয়ে চীন, ভারত, ভুটান, ইরান, তিমুর, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও কম্বোডিয়ার সরাসরি সমর্থন এবং অন্যান্য সদস্যদেশসমূহ সম্মতি প্রদান করেছে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, গত ৪০ বছরে কৃষিক্ষেত্রে ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। বিশেষত প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, আবাদযোগ্য জমি হ্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততার পরিমাণ বাড়ার চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশ দানাদার খাদ্যে আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। বাংলাদেশের এ অর্জন অন্য সদস্যদেশগুলোর জন্য রোল মডেল ও উদাহরণ। এবারের ৩৫তম এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন ১ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর সময়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজন করে ভুটান। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে কৃষিসচিব মো. নাসিরুজ্জামান, খাদ্যসচিব ড. মোছাম্মত্ নাজমানারা খানুম এবং এফএওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ৩৫তম এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলনটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলে ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, কৃষিসচিব মো. নাসিরুজ্জামান, খাদ্যসচিব ড. মোছাম্মত্ নাজমানারা খানুম, ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান শিকদার প্রমুখ।
