কুমির পিলপিলের ৪৪ ডিমে ফুটেছে মাত্র চার বাচ্চা

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩০

মোংলা (বাগেরহাট) সংবাদদাতা

সুন্দরবনের একমাত্র বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে লবণ পানির প্রজাতির কুমির পিলপিলের দেওয়া ৪৪টি ডিমের মধ্য থেকে এবার মাত্র চারটি বাচ্চা ফুটেছে। অতিবৃষ্টি ও ইনকিউবেটরের ত্রুটির কারণে আশানুরূপ বাচ্চা ফোটেনি বলে জানিয়েছেন করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আজাদ কবির।  তিনি জানান, গত ১২ জুন প্রজনন কেন্দ্রের পুকুর পাড়ের বাসায় ৪৪টি ডিম দেয় কুমির পিলপিল। এরপর কুমিরটির নিজ বাসায় ২১টি রেখে বাকিগুলোর মধ্যে ১২টি কেন্দ্রের নতুন ইনকিউবেটর আরো ১১টি পুরাতন ইনকিউবেটরে বাচ্চা ফুটানোর জন্য সংরক্ষণ করা হয়। নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর শনিবার সকালে কেন্দ্রের নতুন ইনকিউবেটরে রাখা ১১টির মধ্যে চারটি ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয়। বাকি ডিমগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেগুলো থেকে বাচ্চা ফোটেনি। তবে চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে প্রজনন কেন্দ্র প্লাবিত হওয়ায় ডিমসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী এবং স্থাপনার বেশ ক্ষতি হয়েছে। পিলপিলের ডিম থেকে ফুটে বের হওয়া চারটিসহ কুমির প্রজনন কেন্দ্রে মোট কুমিরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৬টিতে। কুমির প্রজনন কেন্দ্রে পিলপিল ও জুলিয়েট নামের দুটি নারী কুমির দিয়েই প্রজনন কার্যক্রম চলে আসছে। এর মধ্যে গত ২৯ মে জুলিয়েট ৫২টি ডিম দিলেও তা থেকে কোনো বাচ্চা ফোটেনি বলেও জানান তিনি।