নাগচম্পা

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৫২

লেখা ও ছবি :মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধী

 

বাংলাদেশের প্রকৃতি-পরিবেশে পরিচিত ফুলের মধ্যে অন্যতম। এ ফুল বিভিন্ন নামে পরিচিত—নাগচম্পা, নাগচাঁপা, বৃন্দাবন চাঁপা, পুদিকা চম্পা, প্রেমনলিনী, কমলিকা ইত্যাদি। এই ফুলগাছের প্রতিটি পাতার অগ্রভাগ দেখতে সাপের ফণার মতো—তাই নাগচম্পা নামকরণ। পরিবার Apocynaceae, উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম Plumeria pudica।

সাদা রঙের পাপড়ির কেন্দ্রে হলুদ রঙের আভা এ ফুলের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে অনেকগুণ। ফুল গন্ধহীন। পাপড়ি সংখ্যা পাঁচটি। শাখা-প্রশাখার অগ্রভাগে গুচ্ছ থোকায় ফোটে। ফুটন্ত ফুলের সৌন্দর্য বেশ অনেক দিন স্থায়ী থাকে। প্রায় সারা বছর ধরে ফোটে। তবে বর্ষা ও শরতে গাছ ভরে থাকে ফুলে। গাছের পাতা শাখার অগ্রভাগে গুচ্ছবদ্ধ, রং গাঢ় সবুজ, বেশ পুরু, শিরা-উপশিরা স্পষ্ট, লম্বায় ৬ থেকে ৮ ইঞ্চি এবং চওড়ায় ১-২ ইঞ্চি হয়। গাছ উচ্চতায় গড়ে ৮ থেকে ১০ ফুট হয়ে থাকে। গাছ দ্রুত বর্ধনশীল। কাণ্ড খুব শক্ত মানের নয়। গাছে শাখা-প্রশাখা কম এবং সোজা উপরে বাড়তে থাকে।

ডাল কাটিং পদ্ধতির মাধ্যমে বংশ বিস্তার করা হয়। সরাসরি মাটি ও টবে রোপণ উপযোগী। প্রায় সব ধরনের মাটি, রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশ, উঁচু থেকে মাঝারি উঁচু ভূমিতে ভালো জন্মে। বাগান, নার্সারি, পার্ক ও উদ্যানে নাগচম্পা ফুলগাছ চোখে পড়ে।