ভারতের সাহায্যে বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারবে না -------- জাফরুল্লাহ চৌধুরী

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৮

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘দেশবাসী চায় আমরা রাস্তায় দাঁড়াই। আমাদের রাস্তায় দাঁড়াতে দেখলে প্রথম বা দ্বিতীয় দিন না এলেও তৃতীয় দিন জনগণ ঠিকই পাশে এসে দাঁড়াবে। ভারতের সাহায্য নিয়ে বিএনপি কখনোই ক্ষমতায় আসতে পারবে না, বিএনপি আসবে জনগণের সমর্থন নিয়ে।

গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জাতীয় স্মরণ মঞ্চ’ আয়োজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ স্মরণে নাগরিক শোকসভায় তিনি এ কথা বলেন। সরকারের উদ্দেশে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, কোনো না কোনো  সময় তো পরিবর্তন হবে, তখন আপনাদের ভুল শাসন ও দুঃশাসনের বিচার হলে আপনাদের কত বছরের সাজা হবে? বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, তরুণদের দিয়ে বিএনপির কাউন্সিল মিটিংটা করান। তারা মার খেয়েছে, তারা রাস্তায় দাঁড়াবে। তাদের স্ট্যান্ডিং কমিটিতে নিতে হবে। খালেদা জিয়াকে এখন অবশ্যই কথা বলতে হবে। হাইকোর্ট ঘেরাও কর্মসূচি দিতে হবে। অন্যদের জামিন হয়, ফাঁসির আসামিরও জামিন হয়, অথচ খালেদা জিয়ার জামিন হয় না। তিনি আরো বলেন, এমাজউদ্দিন আহমদ পরিষ্কারভাবে বিভিন্ন সময়ে বলেছিলেন, ভারত থেকে সাবধান থাকতে হবে।

স্মরণসভায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এমাজউদ্দিন আহমদরা কিছু পাওয়ার লোভে কিংবা ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারবেন—এসব চিন্তা করে কোনো কাজ করেননি। তারা ন্যায়ের পক্ষে সব সময় কাজ করতেন। মানুষের চিন্তা, মনন ও বিবেককে জাগ্রত করতে কাজ করতেন। তিনি বলেন, সরকারের লোকজন অনিয়ম-দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। দুর্নীতি ধরা পড়ছে, কিন্তু  তা গণমাধ্যমে প্রকাশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এখন তো দুর্নীতিকাণ্ডে ক্ষমতাসীনদের আত্মীয়স্বজনও ধরা পড়ছে।

বিএনপির নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এমাজউদ্দিন আহমদ আমাদের জাতীয় জীবনের বাতিঘর ছিলেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, এমাজউদ্দিন জাতির সব ক্রান্তিলগ্নে ভূমিকা রেখেছেন। জাতীয় স্মরণ মঞ্চের সভাপতি প্রকৌশলী আ হ ম মনিরুজ্জামান দেওয়ান মানিকের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য কবি আবদুল হাই শিকদার, ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন, ডাকসুর সাবেক এজিএস নাজিম উদ্দিন আলম প্রমুখ।