সৈয়দপুরের খামারি ও মালিকরা বিপাকে

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:১৯

গো-খাদ্যের সংকট

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

সৈয়দপুরে গোখাদ্য সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারি ও মালিকরা। সাম্প্রতিক বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে গোখাদ্য খড় পচে নষ্ট হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। শহরের উপকণ্ঠে ঢেলাপীর হাটে খড় কিনতে আসা কাশিরামের আইয়ুব  হোসেন জানান, তার বাড়িতে চারটি গরু আছে। কিন্তু খড় বৃষ্টিতে খড় পচে যাওয়ায় এক মণ খড় ১২০ টাকায় কিনেছেন। এই খড় কয়দিন চলবে তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন। এছাড়া বন্যাপরবর্তী সময় ও অতিবৃষ্টিতে মাঠ ও খেতের ঘাস প্রায় মরে গেছে। যেটুকু আছে তা গবাদিপশু খেতে চায় না। সৈয়দপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হক গবাদিপশুর খাদ্য সংকটের কথা নিশ্চিত করে জানান, বিকল্প খাদ্য হিসাবে ঘাস ও বাড়ির ঝুটা মাড় এবং অন্যান্য খাবারের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘাস ধুয়ে গবাদিপশুকে খাওয়ানো যাবে।

চিতলমারী (বাগেরহাট) সংবাদদাতা জানান, গোখাদ্য হিসাবে খড় ও ঘাসের বিকল্প নেই। কিন্তু এর কোনোটাই এখন মিলছে না। ফলে কচুরিপানাসহ অন্যান্য লতাপাতা খেতে দেওয়া হচ্ছে গরুকে। এতে করে খামারিরা চরম বিপাকে পড়েছেন। উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের গরু খামারি জয় বালা, নিমাই মণ্ডল, বাবু বালাসহ অনেক খামারি জানান, বোরো মৌসুমের খড়ের ওপর ভরসা করে থাকতে হয়ে তাদের। এ বছর অতিবৃষ্টির কারণে বোরো মৌসুমে চাষিরা ফসলের খড় মাঠ থেকে আনতে না পারায় গোখাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় বিলের ঘাস এনে অনেকে গরুকে দিলেও এখন আর ঘাসও মিলছে না। গত কয়েক দিনের বন্যা ও জোয়ারের পানিতে বিলের ঘাস তলিয়ে যাওয়ায় গোখাদ্যের সংকট তৈরি হয়েছে।