শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করছিল একটি চক্র। তারা জনপ্রতি ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিত। এ চক্রের চার প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল রবিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ এলাকায় অভিযান চলে। এ সময় ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডসহ মোট ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এ চার প্রতিষ্ঠান হলো : আর কে চৌধুরী ইন্টারন্যাশনাল, এনএস এসএস প্রাইভেট লি., ধানশিড়ি লজিস্টিক সার্ভিস ও আশীর্বাদ ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস।
র্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, প্রতারক চক্রটি প্রতারণার জন্য টার্গেট করেছে বিদেশফেরত শ্রমিকদের। বিশেষ করে করোনার সময়ে যারা দেশে এসে আটকা পড়েছেন কিংবা বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তাদের এজেন্টের মাধ্যমে খুঁজে নিচ্ছে প্রতারকরা। এসব প্রতিষ্ঠান চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে মেডিক্যাল সার্ভিস ও অফেরতযোগ্য জামানতের কথা বলে ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা নিয়ে আত্মসাত্ করেছে।
র্যাব সূত্র জানায়, অভিযানে আর কে চৌধুরী ইন্টারন্যাশনালের রাসেল চৌধুরী, জাহিদুল ইসলাম মিন্টু, মনিরুল ইসলাম, আক্তার ও আবুল কাশেমকে এক বছর ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এনএস এসএস প্রাইভেট লি.-এর মোহাম্মদ সেতাউর রহমান ও বায়েজিদকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ধানশিড়ি লজিস্টিক সার্ভিসের ইলিয়াস হাওলাদার ও শামীমকে ছয় মাসের কারাদণ্ড, আরিফ ব্যাপারী, আনোয়ার হোসেন, মাহফুজুর রহমান ও শাকিল সরকারকে তিন মাসের করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আশীর্বাদ ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের বিপ্লব ভট্টাচার্য ও সুমনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
