যে যেভাবে পারছে লুটে নিচ্ছে

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:১৩

বলতে হয়, কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ। করোনা অতিমারির আবহে একদল স্বাস্থ্য ব্যবসায়ী এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতির পূর্ণ সুযোগ নিয়ে মুনাফা লোটায় ব্যস্ত। বাজারে ওষুধের দোকান থেকে পাড়ার মুদিখানা সর্বত্র এসে গেছে হাতশুদ্ধি, মানে স্যানিটাইজার। দাম একেক জায়গায় একেক রকম—গোড়ার দিকে আরো বেশি ছিল। গুণমান যাচাইয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। সেই সুযোগে নকল স্যানিটাইজারের ছড়াছড়ি।  ইথাইল আলকোহল অন্তত সত্তর শতাংশ থাকার কথা, অনেক সময় বিষাক্ত মিথাইল অ্যালকোহল মেশানো হচ্ছে তাতে। চামড়ার অ্যালার্জি, ফোস্কা পড়া ও অন্যান্য চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে। আর এন ৯৫ মাস্কের নকল সংস্করণ বাজার ছেয়ে ফেলেছে। সামান্য হাঁচি, কাশি অথবা জ্বর হলেই লোকে ছুটছে হাজার হাজার টাকার বিনিময়ে করোনা পরীক্ষা করাতে বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে। পরীক্ষার মান যাচাই সম্ভব নয়। পজিটিভ হলে প্রাইভেট হাসপাতালে লক্ষাধিক টাকা ন্যূনতম খরচ, সরকারের নির্দেশিকার তোয়াক্কা না করে নগদ টাকার বিনিময়ে রোগী ভর্তি করানোর তত্পরতা দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য সাথি বা সরকারি কর্মচারীদের হেলথ ইনসিওরেন্স আছে জানলে, বেড নেই বলে রোগী ফিরিয়ে দেওয়ার কৌশলও দেখা যাচ্ছে। রোগী ভর্তি হলে প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও আই এল ৬, ডি-ডাইমার প্রভৃতি দামি পরীক্ষা, এমনকি রেমডেসিভির, টসিলিজুম্যাব প্রভৃতি বিতর্কিত দামি ওষুধ ব্যবহারের কথাও শোনা যাচ্ছে। সরকারের উচিত কড়া ব্যবস্থা নেওয়া।

লিয়াকত হোসেন খোকন

ঢাকা