চিতলমারী (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
সুন্দরবনের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় শত কিলোমিটার দূরে চিতলমারী উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষে বয়ে গেছে চিত্রা নদী। এ নদীর দুই পাড়ে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ চর ও আশপাশের গ্রাম জুড়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নিয়েছে সুন্দরবনের বিভিন্ন গাছ। প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা এ বনকে ঘিরে দিন দিন বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভিড়। প্রকৃতিপ্রেমীদের মতে, এ বনকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করলে এখানে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। চিত্রাপাড়ের বন সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, চিত্রাপাড়ের মিনি সুন্দরবনে হাজার হাজার পাখির আশ্রয়স্থলও গড়ে উঠছে। উপজেলার ঝালডাঙ্গা গ্রামের শেখ কেসমত আলী, খিলিগাতী গ্রামের পাখিপ্রেমী মুকুল চন্দ্র ঢালীসহ অনেকে জানান, প্রতিদিন এখানকার বনে পাখি দেখতে শত শত লোক আসে। এখানকার পাখির নিরাপত্তা ও বনটি সংরক্ষণ করতে পারলে পর্যটনশিল্পে অপার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। প্রাণী ও পাখি বিশেষজ্ঞ শরীফ খান জানান, সুন্দরবনের আয়তন দিন দিন কমে আসছে। এ অবস্থায় চিত্রাপাড়ে নতুন এ বন ঘিরে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মারুফুল আলম জানান, বনটি তিনি শিগিগরই পরিদর্শন করবেন। বনের প্রাণী ও পাখি রক্ষায়ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
