ঝিনাইদহে পেঁয়াজের দাম চড়া

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩০

গুদামজাতের অভিযোগ

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে চাষি ও ব্যবসায়ীরা মজুত পেঁয়াজ বাজারে ছাড়ছেন না বলে খবর পাওয়া গেছে। তারা ধারণা করছেন পেঁয়াজের দাম গত বছরের মতো অস্বাভাবিক বাড়বে। এদিকে পেঁয়াজের দাম চড়ে প্রতি মণ ২ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এর ফলে খুচরা বাজারেও দাম চড়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত খরিপ মৌসুমে এ জেলায় ৮ হাজার ৬৫০ হেক্টরে পেঁয়াজ চাষ হয়েছিল। উত্পাদন হয়েছিল দেড় লাখ টন। মার্চ মাসে নতুন পেঁয়াজ ওঠার পরপর দাম চড়া ছিল।  প্রতি মণ ২ হাজার দরেও বিক্রি হয়। বাজারে আমদানি বাড়ার পর দাম কমে আসে।  প্রতি মণের দাম ১ হাজার ১০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা ছিল। এরপর দাম ওঠা-নামা করতে থাকে। এক মাস আগেও দাম ছিল ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা মণ। হঠাত্ করে দাম চড়ে গেছে। শনিবার শেলকুপা হাটে পাইকারি প্রতি মণ পেঁয়াজ ২ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হয়। হাটে পেঁয়াজের আমদানি কম ছিল।  ইটালি গ্রামের চাষি সেলিম রেজা বলেন, গত মৌসুমে তার জমিতে ৫০ মণ পেঁয়াজ হয়েছিল। হাটে কিছু পেঁয়াজ এনেছেন। ব্যাপারিরা ২ হাজার টাকা করে দাম করছে। তার বাড়িতে ৩০ মণ পেঁয়াজ মজুত আছে।

দহকুলা গ্রামের চাষি লিয়াকত আলি বলেন, গত মৌসুমে ২০০ মণ পেঁয়াজ হয়েছিল। ১০০ মণ বিক্রি করেছিলেন। ১০০ মণ মজুত আছে। তিনি জানান, তাদের গ্রামের বড় বড় চাষি পেঁয়াজ মজুত করে রেখেছেন। দাম আরো উঠলে বিক্রি করবে। চর মৌকুড়ি গ্রামের চাষি খয়বর মাতুব্বর জানান, গত মৌসুমে পেঁয়াজ চাষ করে ১০০ মণ পেঁয়াজ পান।  এখনো ঘরে ৩০ মণ পেঁয়াজ মজুত আছে। আরো পরে বিক্রি করবেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, আগামী মাস থেকে মুড়িকাটি পেঁয়াজ চাষ শুরু হবে। এ পেঁয়াজ ডিসেম্বর মাসে উঠবে। মুড়িকাটি পেঁয়াজের বীজ (গুটি পেঁয়াজ) দাম চড়া। প্রতি মণ আড়াই হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়।