অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় বরখাস্ত টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন কারামুক্ত সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান। সেখানে স্থানীয় চার ব্যক্তিকে ‘পুলিশের দালাল’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজারের সিনিয়র জুুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ এ দায়েরকৃত মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী ধার্য তারিখের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন বিচারক তামান্না ফারাহ। তবে পরে বাদীপক্ষের আইনজীবীদের নারাজিতে আগের আদেশ বাতিল করলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত আর কোনো নির্দেশনা দেননি বিচারক।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—টেকনাফ থানার এসআই মো. কামরুজ্জামান, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এ বি এম এস দোহা, ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম খান, কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই প্রদীপ, এসআই মো. সাইফুল করিম, টেকনাফ থানার এসআই মশিউর রহমান, এসআই মনসুর মিয়া, এসআই ছাব্বির আহমেদ, এসআই সুুজিত চন্দ্র দে, এসআই বাবুল, এসআই মো. জামাল উল্লাহ, এসআই মো. নাজির উদ্দিন, এসআই আমির হোসেন, এসআই মিসকাত উদ্দিন, এসআই সনজিত দত্ত, কনস্টেবল নাজমুল হাসান, সাগর দেব, আবদুল্লাহ আল মামুন, রাশেদুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন, মংচিংপ্র চাকমা, আবদুল শুক্কুর, মো. মহিউদ্দিন, সেকান্দর, টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা ফুলেরডেইল এলাকার মো. জহিরুল ইসলাম, হোয়াইক্যং পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার মফিজ আহমদ, হ্নীলা দরগাহপাড়ার আবুল কালাম প্রকাশ আলম এবং হোয়াইক্যং দক্ষিণ কাঞ্জরপাড়ার নুরুল আমিন।
সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের দায়েরকৃত মামলায় টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ পুলিশ সদস্য ও তাদের দালালদের মাধ্যমে পৃথক চার দফায় নানাভাবে শারীরিক নির্যাতন, হত্যাচেষ্টা, মিথ্যা মামলা দায়েরসহ নানা অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদকসহ নানা অভিযোগে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার বিরুদ্ধে একে একে ছয়টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় দীর্ঘ ১১ মাস পাঁচ দিন কারাবাসের পর গত ২৭ আগস্ট তিনি কারামুক্ত হন। তখন থেকে তিনি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন।
