সাগরে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:০৯

বঙ্গোপসাগর ও স্থানীয় নদনদীতে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। মাছ ধরার প্রতিটি ট্রলার ইলিশবোঝাই হয়ে গভীর সমুদ্র থেকে তীরে ভিড়ছে মত্স্যবন্দর বরগুনার পাথরঘাটায়। পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা পড়ায় উপকূলের এ বৃহত্তম অবতরণ কেন্দ্রে ইলিশের আমদানি বাড়ছে, কমছে দামও।

মত্স্যবন্দরে সরজমিনে দেখা যায়, সাগরে পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা পড়ায় জেলে, আড়তদার ও মাছ ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ ইলিশের ঝুড়ি টানছেন, কেউ বিক্রীত মাছ প্যাকেট করছেন, আবার কেউ সেই প্যাকেট দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে তুলে দিচ্ছেন ট্রাকে। সব মিলিয়ে যেন আনন্দের জোয়ার বইছে মত্স্যবন্দরে। গত এক সপ্তাহ ধরে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ায় উপকূলীয় জেলেদের মধ্যে স্বস্তিও ফিরেছে। বুধবার গ্রেড অনুযায়ী মণপ্রতি ইলিশ বিক্রি হয়েছে ফিশিং ১ম গ্রেড ৩০ থেকে ৩৪ হাজার টাকা, ২য় গ্রেড ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা এবং এলসি ১ম গ্রেড ২৪ থেকে ২৭ হাজার টাকা ও ২য় গ্রেড ১৭ থেকে ১৯ হাজার টাকায়।

মেসার্স পাথরঘাটা ফিসের আড়তদার মো. ছগির বলেন, জেলেদের জালে পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা পড়ছে। সাগর থেকে যেসব ট্রলার ঘাটে আসছে তারা প্রত্যেকেই কমবেশি ইলিশ পেয়েছে। সামনের দিনগুলোতে আরো বেশি ইলিশ ধরা পড়বে এমনটা আশা করছেন।

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, এ সময়টা ইলিশের ভরা মৌসুম। ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা সমুদ্রে গিয়ে ইলিশ পায়নি। গভীর সমুদ্রে এক সপ্তাহ ধরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। সাগরে ইলিশ শিকার অব্যাহত থাকলে আগামী কিছুদিন পাথরঘাটা অবতরণ কেন্দ্রে ইলিশের আমদানি এ রকমই থাকবে। এখন দামও কিছুটা কম রয়েছে, তবে ভোক্তা পর্যায়ে ইলিশের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও ঊর্ধ্বমুখী হবে। উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, জেলেরা নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার কারণে সাগরে এখন প্রচুর ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।