সঞ্চয়পত্রে দুর্ভোগ

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩৭

২০১৯-২০ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ১৪ হাজার ৪৩০ কোটি ৩০ লাখ টাকার। এর আগের বছরে তার পরিমাণ ছিল ৪৯ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেছে ৩৫ হাজার ৫১১ কোটি টাকা বা ৭১.১০ শতাংশ। সঞ্চয়পত্রে সুদের হার কমানো হয়েছে, বেড়েছে ক্রয়ে বিড়ম্বনা। সাধারণ মানুষ নগদে বিশ্বাসী। প্রতি মাসে ব্যাংক বা ডাকঘরে গিয়ে সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশ নিয়ে সংসার চালাতেন। এখন আর সেই লভ্যাংশের টাকা চোখে দেখেন না। দুর্নীতি বা অপ্রদর্শিত আয়ে সঞ্চয়পত্র কেনা বন্ধ করতে ক্রেতাদের তথ্যের ডাটাবেসে সংরক্ষণের লক্ষ্যে অভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেচা-বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়। এছাড়া এখন প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা দিয়ে সহজে সঞ্চয়পত্র কেনা যায় না, যদি কর কমিশনারের প্রত্যায়নপত্র না থাকে। করোনার কারণে দেশ অর্থনৈতিক সংকটের আবর্তে নিমজ্জিত। এখন মানুষের হাতে সঞ্চয়ের টাকা নেই। গরিব ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের অবস্থা কাহিল। সাধারণ মানুষের জন্য কোনো প্রণোদনা নেই। অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়া এনআইডি ও টিন সার্টিফিকেটের মাধ্যমে ডাকঘরে আগের মতো সঞ্চয়পত্র ক্রয়ের পদ্ধতি জনস্বার্থে চালু করার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

১৭ ফরিদাবাদ-গেণ্ডারিয়া,

ঢাকা ১২০৪