দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার করেছে তুরস্ক ও ইরান। মঙ্গলবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোয়ান এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এমন অঙ্গীকার করেছেন। এছাড়া আঞ্চলিক নানা সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের ভূমিকার ওপর জোর দেন তারা। খবর পার্স টুডের
মঙ্গলবার অনলাইনে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুই নেতার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটি মূলত তুরস্ক ও ইরানের সর্বোচ্চ কৌশলগত সম্পর্ক পরিষদের ষষ্ঠ বৈঠক ছিল। তবে বিদ্যমান করোনা মহামারির ফলে সরাসরি বৈঠক না করে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন এরদোয়ান-রুহানি। এ সময় উভয় দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন দুই নেতা।
এরদোয়ান বলেন, করোনা মহামারির প্রাথমিক পর্যায়ে তেহরানে প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সরঞ্জাম পাঠিয়েছে আঙ্কারা। এর মধ্য দিয়ে আমরা প্রমাণ করেছি যে তুরস্ক ইরানি জনগণের পাশে আছে। ইরানের জ্বালানি, পরিবহন ও পর্যটন খাতে পুঁজি বিনিয়োগে আঙ্কারা সব সময় প্রস্তুত রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের কোনো কোনো দেশ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, এসব দেশ মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বিদ্যমান করোনা মহামারি শেষ হলে ইরানি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের আগ্রহের কথাও জানান এরদোয়ান।
রুহানি বলেন, জ্বালানি ও পরিবহন খাতের পাশাপাশি পর্যটন এবং তেল ও গ্যাস খাতে পুঁজি বিনিয়োগের বিষয়ে এরই মধ্যে দুই দেশের মধ্যে যেসব চুক্তি সই হয়েছে সেগুলো অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা দরকার। তিনি বলেন, রাশিয়াকে সঙ্গে নিয়ে শান্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তেহরান ও আঙ্কারা সিরিয়া সংকটে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
