শরণখোলায় বাসস্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনি নেই, ছোট রাস্তা দখল বড়ো বাসের

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৭:৩১

শরণখোলায় স্থায়ী কোনো বাসস্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনি নেই। ফলে বাগেরহাট-শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পর দূরপাল্লার যাত্রীবাহি বাসগুলো দাঁড়িয়ে থাকছে। এতে বিঘ্নিত হচ্ছে যান চলাচল, ঘটছে দুর্ঘটনা, দেবে যাচ্ছে সড়ক। দুর্ভোগে সাধারণ যাত্রীরা। 

আশির দশকে মোরেলগঞ্জ থেকে শরণখোলা পর্যন্ত আভ্যন্তরীন রুটে প্রথমে লোকাল বাস চলাচল শুরু হয়। সময়ের ব্যবধানে এখন জেলা সদর বাগেরহাট, খুলনা, ঢাকা, চট্রগ্রাম, বেনাপোলসহ বিভিন্ন রুটে নিয়মিত যাত্রীবাহী বাস চলছে। কিন্তু শরণখোলায় স্থায়ীভাবে কোনো বাসস্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়নি।

যাত্রীবাহী বাসগুলো আঞ্চলিক সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামার কাজ করে। এতে বেশি দুর্ভোগ নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের। 

সরেজমিন, দূরপাল্লার খুলনা, ঢাকা ও চট্রগ্রামের দিবারাত্রির যাত্রিবাহী বাস উপজেলার রায়েন্দা রাজৈর এবং আভ্যন্তরীন শরণখোলার তাফালবাড়ী-মোরেলগঞ্জ রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাসগুলো যাত্রী নামিয়ে দিয়ে রায়েন্দা এলাকায় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ফলে রাস্তার মাঝখান দিয়ে ভ্যান, রিকসা, ইজিবাইক, পিকআপ ও মালামাল বহনকারী ট্রাকসহ অন্য ভারি যানবাহন এবং পথচারীদের নিরাপদ চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রায়ই ঘটছে পরিবহন শ্রমিকদের সঙ্গে সাধারণ জনগণের ঝগড়া। এছাড়া রাস্তা দেবে গিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। 

শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ-মোংলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি শামিম আহসান পলাশ বলেন, মোরেলগঞ্জ শরণখোলায় বাসস্ট্যান্ড ও যাত্রী ছাউনি না থাকায় বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে গাড়ি রাখতে হয়। এজন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। 

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, শরণখোলায় স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড নির্মাণের জন্য জায়গা খোঁজা হচ্ছে। আগে রাজৈর এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে বাস দাঁড়াতো। সেখানে বেড়িবাঁধ হওয়ায় এখন সমস্যা হচ্ছে। 

ইত্তেফাক/এসি