জীবন ধারণের জন্য খাদ্যের বিকল্প নেই। সুস্থভাবে আমাদের বেঁচে থাকার জন্য দরকার নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার। কিন্তু আমরা কতটা নিরাপদ খাদ্য খাই, তা প্রশ্নবিদ্ধ। করোনায় আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার পরও সাধারণ মানুষ জীবিকার তাগিদে চড়া দামে পণ্য কিনলেও ভেজালে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। প্রতিদিন হোটেল-রেস্তেরাঁ, বাসাবাড়ি কিংবা দোকানে যা খাচ্ছে মানুষ—তার অধিকাংশই ভেজাল। একশ্রেণির মুনাফালোভী ভেজাল পণ্য বাজারজাত করছে। ফলে হুমকিতে পড়ছে জনস্বাস্থ্য। চাল-ডাল, লবণ, সয়াবিন তেল, মরিচ ও শিশুখাদ্য গুঁড়াদুধসহ নিত্যপণ্যদ্রব্যে মেশানো হচ্ছে টেক্সাটাইল রং ও কেমিক্যাল, হাইড্রোজ, কার্বাইড ও ফরমালিনসহ বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান। বিষাক্ত খাবার কিডনি, হার্ট ও লিভারসহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল করছে মানুষের। বিশেষ করে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। তাই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে জনসচেতনতা ও মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের কারসাজি রোধে টিসিবি, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বাজার মনিটরিংয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জোর আবেদন জানাই।
মোহম্মদ শাহিন
শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
