শরণখোলায় স্থায়ী কোনো বাসস্ট্যান্ড ও যাত্রীছাউনি নেই। বাগেরহাট-শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসগুলো দাঁড়িয়ে থাকায় সড়ক এখন বাসস্ট্যান্ডে রূপ নিয়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীসাধারণ। যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। অন্যদিকে, রাস্তা দেবে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সড়ক। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও সাধারণ মানুষের অভিযোগে জানা যায়, শরণখোলায় স্থায়ীভাবে কোনো বাসস্ট্যান্ড ও যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হয়নি। যাত্রীবাহী বাসগুলো আঞ্চলিক মহাসড়কের ওপর দাঁড় করে রেখে যাত্রী ওঠানামার কাজ করা হয়। ফলে যাত্রীসাধারণ ও নারী-শিশুদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। খুলনা, ঢাকা ও চট্টগ্রামের দিবারাত্রির যাত্রীবাহী বাস উপজেলার রায়েন্দা রাজৈর এবং অভ্যন্তরীণ শরণখোলার তাফালবাড়ী-মোরেলগঞ্জ রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাসগুলো যাত্রী নামিয়ে দিয়ে চাল রায়েন্দা এলাকায় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে রাস্তার মাঝখান দিয়ে ভ্যান, রিকশা, ইজিবাইক, পিকআপ ও মালামাল বহনকারী ট্রাকসহ অন্যান্য ভারী যানবাহন এবং পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ-মোংলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি শামিম আহসান পলাশ বলেন, মোরেলগঞ্জ শরণখোলায় বাসস্ট্যান্ড ও যাত্রীছাউনি না থাকায় বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে বাস রাখতে হয়। এতে বিভিন্নভাবে তাদের বাস ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বাসস্ট্যান্ড নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, শরণখোলায় স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড নির্মাণের জন্য জায়গা খোঁজা হচ্ছে। আগে রাজৈর এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে বাস দাঁড়াত, সেখানে বেড়িবাঁধ হওয়ায় এখন সমস্যা হয়েছে।
