হিসাববিজ্ঞান
প্রিয় শিক্ষার্থীরা শুভেচ্ছা নিও। আজ তোমাদের হিসাববিজ্ঞান প্রথমপত্রের হিসাববিজ্ঞান পরিচিতি অধ্যায়ের বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি নিয়ে আলোচনা করছি।
ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের অন্তর্দায় বলতে বোঝায় - মালিক বা অংশীদার কর্তৃক প্রদত্ত মূলধন, অবন্টিত মুনাফা।
এক মালিকানা কারবারের আয়-ব্যয় হিসাবের দফা হচ্ছে - অবচয়
নগদান হিসাব হচ্ছে - একটি স্বয়ং খতিয়ান হিসাব
ইক্যুইটি বলতে বোঝায় -সম্পত্তির উপর মালিকের অধিকার
নীট মুনাফা একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য -অর্ন্তদায়
’মূলধন’ একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য - অন্তর্দায়
আধুনিক হিসাববিজ্ঞানের জন্ম হয় - পঞ্চাদশ শতাব্দীতে।
’পরিগণনায় সাফল্য অর্জন’- হিসাববিজ্ঞানের উদ্দেশ্য।
মিসর ও গ্রীসের আদি অধিবাসীগণ হিসাব রাখতো - পেপিরাস গাছের পাতায়।
একটি প্রতিষ্ঠানের বছর শেষে লাভ - লোকসান নির্ণয় পদ্ধতি সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন - লুকা প্যাসিওলি।
প্রতিষ্ঠানের লাভ-ক্ষতির উদ্বৃত্ত মূলধন হিসাবে স্থানান্তর করার নির্দেশ দিয়েছেন - লুকা প্যাসিওলি।
মূলধনী আয় হতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের - সত্য ও ন্যায়সঙ্গত আর্থিক অবস্থা প্রতিফলিত হয়।
মুনাফাজাতীয় আয়-ব্যয়কে প্রদর্শন করা হয় - ক্রয় বিক্রয় হিসাবে ও লাভ-ক্ষতি হিসাবে।
আর্থিক বিবরণী তৈরি করার জন্য যে অতিরিক্ত খসড়া পত্র তৈরি করা হয় তাকে বলে - ওয়ার্কশীট।
আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করার আগে ওয়ার্কশীট তৈরী করা হয় - কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে।
ব্যবসায়ের সামগ্রিক তথ্যাদি একত্রে পাওয়া যায় - ওয়ার্কশীটে।
সমন্বয় দাখিলা প্রদানের পূর্বেই হিসাবরক্ষক ব্যবসায়ের আর্থিক অবস্থা জানতে পারবেন - ওয়ার্কশীট তৈরির মাধ্যমে।
মিশরীয় আবলুস কাঠ, আইভরি প্লেটে ও শ্লেট পাথরে হিসাব রাখা হতো - বিনিময় যুগে।
ইংরেজ ব্যবসায়ীরা টালী নামক খাঁজ কাটা চেপ্টা কাঠের লাঠির মাধ্যমে হিসাব রাখতো ? মুদ্রা যুগে।
প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কের ভিত্তিতে ব্যবসায়ের সাথে লেনদেনের - তিনটি পক্ষ থাকে। যথা ১.প্রথম পক্ষ ২. দ্বিতীয় পক্ষ ৩. তৃতীয় পক্ষ- ব্যবসায় এবং মালিক ব্যাতীত আর সকল পক্ষই।
হিসাববিজ্ঞান সকল প্রকার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ? স্নায়ুকেন্দ্র বিশেষ।
কারবারী প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে হিসাববিজ্ঞানের কাজকে প্রধানত
২ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- ১. তত্ত্বাবধায়কের কাজ ২. ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কাজ।
হিসাববিজ্ঞানের ইতিবৃত্তিমূলক বা তত্ত্বাবধায়কের কার্যাবলি - লেনদেন শনাক্তকরণ, লেনদেন লিপিবদ্ধকরণ, লেনদেনগুলোর সংক্ষিপ্তকরণ, শ্রেণীবদ্ধকরণ, নীট ফলাফল নির্ণয়, জের নির্ণয়, রেওয়ামিল প্রস্তুতকরণ, আর্থিক অবস্থার প্রদর্শন ইত্যাদি।
হিসাববিজ্ঞানের পরিচালন সংক্রান্ত কার্যাবলি -পরিকল্পনা প্রণয়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, পণ্যমূল্য নির্ধারণ, সর্বোচ্চ কর্মপন্থা নির্ধারণ, বাজেট প্রস্তুতকরণ, মূলধন কাঠামো নির্ধারণ, আর্থিক উত্স নির্ধারণ ইত্যাদি।
প্রচলিত হিসাব ব্যবস্থায় অর্থের মূল্যকে বিবেচনা করা হয় - স্থিতিশীল।
হিসাববিজ্ঞানে হিসাবভুক্ত হয় না -মুদ্রার হ্রাস- বৃদ্ধির পরিমাণ।
