আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা
আড়াইহাজারে ১০টি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভার অন্তত ২০০টির বেশি স্পটে চলে মাদক কেনাবেচা। পুলিশ প্রশাসন মাঝেমধ্যে সামান্য গাঁজা, হেরোইন ও ইয়াবা জব্দ করলেও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা নিতে পারছে না। করোনাকালীন সময়েও মাদক কেনাবেচা থেমে নেই। আগস্ট মাসে আড়াইহাজার থানায় ৯টি মাদক মামলা দায়ের হয়েছে।
সূত্র জানায়, প্রভাবশালী কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী পর্দার আড়ালে থেকে অসাধু কিছু রাজনীতিবিদদের সহযোগিতায় ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের নিযুক্ত করা বিক্রেতারা প্রতিদিন গোপালদী পৌরসভার রাসচন্দ্রদী, গোপালদীবাজার, মাহমুদপুর ইউনিয়নের সালমদীবাজার, বিশনন্দী ইউনিয়নের দয়াকান্দা ও মানিকপুর এলাকায় মাদক বিক্রি করছে। দয়াকান্দায় কয়েক জন প্রভাবশালীর আত্মীয়স্বজন মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। মাদকপল্লি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বালিয়াপাড়া, রামচন্দ্রদী, গোপালদী এলাকা। এসব এলাকায় প্রতিদিন মাদক কেনাবেচার আসর বসে। পুলিশ প্রশাসন মাদক নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দিলেও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বখরা আদায়ে ব্যস্ত বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মেঘনা নদী হয়ে বাঞ্ছারামপুর থেকে পাচার হয়ে থাকে নানা মাদক। তাছাড়া আড়াইহাজার উপজেলার পার্শ্ববর্তী নরসিংদী জেলার মাধবদী থানা এলাকা থেকেও সড়কপথে মাদক পাচার হয়। সেই মাদক লোক মারফত আড়াইহাজারে ঢুকছে। মাধবদী ও বাঞ্ছারামপুর থেকে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা নৌ ও সড়ক পথে অবাধে আড়াইহাজারে ঢুকছে। সূত্রমতে, ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে রোডে মাদক পাচারে কিছু প্রভাশালী নেতার গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ বহুদিনের। আড়াইহাজার থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, মাদকের ঠিক কতটি স্পট রয়েছে এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। তবে গত মাসে মোট ৯টি মাদক উদ্ধারের মামলা হয়েছে।
