এই সময়ের ছড়া
মাহমুদউল্লাহ
ভুতুড়ে কাণ্ড
নেই কোথাও ভূতের দেখা, কাণ্ড ঘটে ভুতুড়ে
কথা শুনে হয় তো মনে লাগছে কাতুকুতু রে।
এটা কি এক হাসির গল্প? এমন প্রশ্ন করো না,
ভূতে করে সমাজসেবা যখন চলে করোনা।
আলো কিনতে ভুতুড়ে বিল দিতে হচ্ছে ঢাকাতে
খুকুমনির দুধের টাকা লুটে নিল ডাকাতে।
ভাগ্য ভালো
ওগো গিন্নি, ভয় করো না, মোটেও ভয় করো না,
ভাগ্য ভালো, এ দেশেতে এসে গেছে করোনা।
বলেছি তো, সাংবাদিকের লেখা তুমি পড়ো না,
আমি নাকি ব্যাংক-লুটেরা, ওদের কথা ধরো না।
সব ঝামেলা পড়ল চাপা, ভয়-তরাসে মরো না,
দখল করা বাড়ি-জমি—সেখান থেকে নড়ো না।
কবি বধূ
কবি বধূর ঘুম আসে না, কী আর তবে করা,
কবি ভাবেন, বধূকে আজ শুনিয়ে দেবেন ছড়া।
গোটা কয়েক ছড়া পড়ে শুধান, কেমন হলো,
ছড়াগুলো দারুণ মজার—সত্যি কি না বলো।
ততক্ষণে কবি বধূ ঘুমিয়ে হলেন সারা—
হায় রে কবির উত্সাহটা মাঠেই পড়ল মারা।
দাঁতের চিকিত্সা
দাঁতের ব্যথায় লোকটা ছোটে কাজকর্ম রেখে,
থমকে দাঁড়ায় দাতব্য এক চিকিত্সালয় দেখে।
ভাবে মনে দাঁতকে বুঝি দাতব্য কয় লোকে,
তখন লোকটা এক দৌড়ে সেই ডাক্তারখানা ঢোকে।
ভাগ্য ভালো, তার চিকিত্সা হয়েছে সেইখানে,
সে তাই জানে, দাঁতই হলো দাতব্যের ঠিক মানে।
