ইউএনও ওয়াহিদার শারীরিক অবস্থার আরো উন্নতি

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২২:২৯

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের মাথায় অস্ত্রোপচারের পর বেশিরভাগ অংশের সেলাই কাটা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে তার মাথার সেলাই কাটা হয়। বর্তমানে তিনি আগের চেয়ে সুস্থ, তার শরীরের অবশ থাকা ডান পাশেরও উন্নতি হয়েছে। তিনি ডান হাতের কনুই পর্যন্ত তুলতে ও নাড়াতে পারছেন, তবে গতকাল পর্যন্ত তিনি ডান পা নাড়াতে পারেননি বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিত্সকরা।

নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের নিউরোট্রমা বিভাগের প্রধান ও ওয়াহিদার চিকিত্সায় গঠিত মেডিক্যাল  বোর্ডের প্রধান মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন জানান, ইউএনও ওয়াহিদার মাথায় যে অপারেশন করা হয়েছিল, সেখানকার অধিকাংশ সেলাই শনিবার কাটা হয়েছে। অপারেশনের জায়গাগুলো এখন ভালো আছে। ওয়াহিদার শারীরিক অবস্থার উন্নতি অব্যাহত রয়েছে। তার স্বাস্থ্যগত আর কোনো জটিলতা নেই।

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক ডা. বদরুল আলম বলেন, এখানে দিনে তিন-চারবার তার ফিজিওথেরাপি চলছে। ফিজিওথেরাপি করে আস্তে আস্তে হাতের অবশ অংশ স্বাভাবিক করা হয়েছে। পায়েরও ফিজিওথেরাপি চলছে। আশা করি তিনি দ্রুতই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, গত ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ভেন্টিলেটর ভেঙে সরকারি বাসভবনে ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদা ও তার বাবার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ইউএনওর মাথায় গুরুতর আঘাত এবং তার বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়।

ময়নুল মাস্টার গা ঢাকা দিয়েছেন

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) সংবাদদাতা জানান, ইউএনওর ওপর হামলার ঘটনায় আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা ময়নুল মাস্টার গা ঢাকা দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক ঘনিষ্ঠজন। কয়েকদিন আগে আইনশৃংখলা বাহিনী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। উপজেলার চাটশাল (সোনারপাড়া) গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র ময়নুল মাস্টারের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে। তিনি উপজেলার ২নং পালশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।