বাদল রায় এখনো বৈধ প্রার্থী :মেজবাহ উদ্দীন

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৩০

স্পোর্টস রিপোর্টার

বাফুফের নির্বাচনে সভাপতি পদ হতে বাদল রায় নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরও তিনি নির্বাচনেই থাকছেন। তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন গৃহীত হয়নি। আগামী ৩ অক্টোবর নির্বাচন। সেদিন ব্যালট পেপারে বাদল রায়ের নাম প্রার্থী হিসাবে উল্লেখ থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মেজবাহ উদ্দীন। যদি কেউ বাদল রায়কে ভোট দেন তাহলে কি সেই ভোট বাতিল হবে নাকি গ্রহণযোগ্য হবে? নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘ভোট হবে, তিনি যদি সবচেয়ে বেশি ভোট পানও তাহলে পাশ করবেন।’ তাহলে কি বাদল রায়ের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন গৃহীত হয়নি? মেজবাহ উদ্দীন বলেন, ‘প্রত্যাখ্যানও করিনি গ্রহণও করিনি।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী যে বিধিমালা এটা ব্যত্যয় করার সুযোগ আমাদের নেই।’ মেজবাহ উদ্দীন নির্বাচনী বিধিমালায় যেসব কথা উল্লেখ রয়েছে তার ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। এটাই যদি হয়ে থাকে তাহলে সভাপতি পদে দুই প্রার্থী কাজী সালাহউদ্দিন এবং শফিকুল ইসলাম মানিকের সঙ্গে ভোটের লড়াইয়ে থাকলেন বাদল রায়।

শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়। মেজবাহ উদ্দীন বলেন, ‘৫টা ১০ মিনিটে বাদল রায় আমাকে ফোনে জানান তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। শরীরের জন্য আমি পারছি না। আমার প্রত্যাহারপত্র নিয়ে আসছে আমার স্ত্রী। ৫টা ৪০ মিনিটে বাদল রায়ের স্ত্রী প্রত্যাহারের আবেদন দিয়ে বাফুফেতে।’ প্রত্যাহারপত্র দিলেও মেজবাহ উদ্দীন জানিয়েছেন, নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ রাখতেই নিয়মনীতি অনুসরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘একজন প্রার্থী সরে যেতেই পারেন। প্রার্থীর সম্পর্ক ভোটারদের সঙ্গে। বাদল রায় সরে যাচ্ছেন, সেটা ভোটাররা জেনে গিয়েছেন। বাদল রায় শারীরিকভাবে অসুস্থ। আমাকে যতবার ফোন করেছেন, কথা শুনে মনে হয়েছে অসুস্থ। নির্বাচনে শ্রম দেওয়ার মতো অবস্থায় তিনি নেই। আমরা সবাই উনার কল্যাণ কামনা করি। তবে আমরা দুঃখিত যে, বিধিগতভাবে উনার নামটা প্রার্থী তালিকা হতে বাদ দিতে পারছি না। বাদল রায় কাগজে-কলমে বৈধ।’

করোনায় আক্রান্ত থাকলে বিশেষ বিবেচনায় ভোট গ্রহণের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।  গতকাল প্রার্থীদের ব্যালট নম্বর ঘোষণা করা হয়। যেখানে বলা হয়, সভাপতি পদে তিন জন ছাড়াও সিনিয়র সহসভাপতি পদে সালাম মুর্শেদী ও শেখ আসলাম। সহসভাপতি পদে আমিরুল ইসলাম বাবু, ফুয়াদ, কাজী নাবিল, তাবিথ আউয়াল, মহিউদ্দিন আহমেদ, আতাউর রহমান মানিক, ইমরুল হাসান, শেখ মারুফ হাসান। সদস্য পদে ৩৪ জন প্রার্থী রয়েছেন।