আদাখেতে পচন ধরায় বিপাকে চাষি

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:২৮

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা

কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আদাখেতে পচন ধরায় চাষিরা বিপাকে পড়েছেন। প্রতিবারের মতো আদা বীজের দ্বিগুণ দাম হওয়ার পরেও অতিরিক্ত লাভের আশায় কৃষক আদা চাষ করেছেন। কৃষকেরা জানিয়েছেন, আদাখেতে মড়ক দেখা দেওয়ায় প্রতি বিঘা জমিতে কৃষকের লোকসান গুনতে হবে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাজেডুমুরিয়া গ্রামের আদাচাষি আফছার আলী বলেন, তিনি এক বিঘা জমিতে আদা চাষ করেছেন। এক বিঘা জমিতে আদা চাষ করে তার খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০ হাজার টাকা। কিন্তু তার পুরো খেতে পচন ধরেছে। বাহাগিলি ইউনিয়নের আদাচাষি বকুল মিয়া বলেন, ‘আমি এবার ৩৫ শতক জমিতে আদা চাষ করেছিলাম, কিন্তু প্রতিদিন আদার গাছ লাল হয়ে তারপর পচে যাচ্ছে। তাই মূলধন রক্ষার জন্য অপরিপক্ব আদা উত্তোলন করে বিক্রি করছি। কিন্তু ৩৫ শতক জমি থেকে ১০ হাজার টাকারও আদা বিক্রি করতে পারব না।’ ৩৫ শতকে তার লোকসান ৪০ হাজার টাকা। মাগুড়া ইউনিয়নের আদাচাষি আফজারুল হক, নিতাই ইউনিয়নের মোকলেছার রহমান, পুঁটিমারী ইউনিয়নের ফিরিজুল ইসলাম, বড়ভিটার এয়াকুব আলীসহ অনেক কৃষক আদাখেতের গোড়া পচন রোগের কথা জানিয়ে বলেন, আদা চাষ করে তারা পথে বসেছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান আদাখেতের মড়কের কথা স্বীকার করে বলেন, এবার আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় এবং অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে আদাখেতে পচন দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন কমবেশি বৃষ্টি হওয়ায় কৃষক খেতে স্প্রে করতে পারছেন না। আবার স্প্রে করলেও বৃষ্টির জন্য ওষুধ কাজ করছে না। তাই আদাখেতে একটু পচন ধরেছে।