হাবিবুর রহমান বাদল, নারায়ণগঞ্জ
শহরে এখন অবৈধ যানবাহনের দাপটে প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। বিনা বাধায় শহরের সর্বত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা, লেগুনা। বিভিন্ন পয়েন্টে সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্ট্যান্ড। শহরের যত্রতত্র চলছে যাত্রী ওঠানামা। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত যানজট। তবে এসব রোধে প্রশাসন, সিটি করপোরেশনের দৃশ্যমান কোনো তত্পরতা নেই।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তুলনামূলক কম যানবাহনের উপস্থিতি ছিল শহরে। ফলে যানজটের মতো ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি নগরবাসীকে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতির পর এখন সবকিছু স্বাভাবিক নিয়মেই চলছে। ফলে সড়কের নিত্যদিনের ভোগান্তির চিত্র সামনে এসেছে। বিনা বাধায় চলাচল করেছে অবৈধ ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা।
শহরের জিমখানা মোড়, ডিআইটি, ২ নম্বর রেল গেট চত্বর, গলাচিপা, ১ নম্বর রেল গেট, কালিরবাজার, চাষাঢ়া মোড়, সোনালী ব্যাংকের সামনে, খাজা মার্কেটের পেছনে, শহিদ মিনারের সামনে ও পাশে, সরকারি মহিলা কলেজের সামনে, চাষাঢ়া রেল স্টেশনের সামনে, চাষাঢ়া চত্বর সুগন্ধা বেকারির সামনে দেখা যায় অবৈধ ইজিবাইক ও সিএনজি স্ট্যান্ড। সড়ক দখল করেই চলছে যাত্রী ওঠানামা। দেখা যায়, অবৈধ যানবাহনের অধিকাংশ চালক অনভিজ্ঞ। ফলে সড়কে বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ইজিবাইক ও লেগুনায় কম বয়সি কিশোর এমনকি শিশুদেরও ড্রাইভিং সিটে দেখা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জেলা ট্রাফিকের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নলেজে আছে। আমি এ বিষয়ে পুলিশ সুপার সাহেবের সঙ্গেও কথা বলেছি। বিষয়টি হচ্ছে ইজিবাইক ও অটোরিকশা শহরে প্রবেশ রোধ করতে হলে আমাদের বেশ কিছু এন্ট্রি পয়েন্টে যেমন জেলা পরিষদ, অক্টো অফিস, মণ্ডলপাড়া, মেট্রোহলসহ বিভিন্ন পয়েন্টে লোক লাগবে। কিন্তু এই ডিউটি কে করবে?’ তিনি বলেন, ‘শহরে অবৈধ যান প্রবেশ রোধ করতে হলে আমাদের অন্তত ৫০ জন লোক লাগবে।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানান, আমরা অচিরেই শহরকে যানজটমুক্ত করতে ইজিবাইকের বিরুদ্ধে অভিযানে নামব।
