ব্লগার রাইফ বাদাওয়ি দীর্ঘদিন ধরে সৌদি কারাগারে বন্দি। অভিযোগ, অনলাইনে লেখালেখির মাধ্যমে ‘ইসলাম অবমাননার’। বাদাওয়ির জীবন রক্ষায় জার্মান সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে চিঠি লিখেছেন অর্ধশতাধিক জার্মান লেখক। Lei ডয়চে ভেলের
জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ভাল্টার শ্টাইনমায়ার এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাসকে লেখা এ চিঠিতে বাদাওয়ির ‘স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে দুশ্চিন্তার’ কথা তুলে ধরেন জার্মান লেখকরা। ‘সহকর্মীর জীবন রক্ষায়’ দ্রুত তার মুক্তি চাওয়ার আহ্বানও জানানো হয় চিঠিতে। চিঠিতে স্বাক্ষর করা লেখকরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন পেন-এর জার্মান চ্যাপ্টারের সদস্য। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে জনপ্রিয় লেখক হ্যার্টা ম্যুলার এবং বারবারা হোনিশমানও রয়েছেন।
বাদাওয়ির স্ত্রী এনসাফ হাইদার জার্মান লেখকদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। হাইদার বাদাওয়ির পক্ষে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। এসব পুরস্কারের মধ্যে ডয়চে ভেলের প্রথম ফ্রিডম অব স্পিচ অ্যাওয়ার্ডও রয়েছে। বাদাওয়ির স্ত্রী বলেন, ‘‘আমি প্রখ্যাত জার্মান লেখকদের প্রতি কৃতজ্ঞ এই চিঠির জন্য। বাদাওয়িকে মুক্তি দিয়ে আমাদের সঙ্গে কানাডায় আসার সুযোগ দেওয়া উচিত।”
সৌদি উদারপন্থি অ্যাকটিভিস্টদের অন্যতম বাদাওয়িকে ২০১২ সালে ‘ইসলাম অবমাননার’ কথিত অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। দুই বছর পর তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও ১ হাজার বেত্রাঘাত এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল (প্রায় ২ কোটি টাকা) জরিমানার সাজাও দেওয়া হয়। ১ হাজার বেত্রাঘাতের প্রথম ৫০টি এরই মধ্যে কার্যকর করা হলেও এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার পর বাকিগুলো স্থগিত রাখা হয়েছে।
