গত ২০ মে জলোচ্ছ্বাস ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আঘাত হানে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর, কয়রা ও আশাশুনির প্রতাপনগর, শ্রীউলা ইউনিয়নে তথা উপকূলীয় অঞ্চলের গাবুরা, বেদকাশি পদ্মপুকুর ও কাশিমাড়িসহ আরো কয়েকটি ইউনিয়নে। এতে তেমন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও, প্রতাপনগরসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন লণ্ডভণ্ড করে দেয় ঘূর্ণিঝড়টি। জোয়ারভাটার লবণাক্ত পানিতে আজো তলিয়ে আছে মাইলের পর মাইল জনপদ। উপকূলীয় প্রতাপনগর অঞ্চল আম্ফানে প্লাবিত হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে জোয়ারভাটা মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
ভিটেমাটি, ঘরবাড়ি, খামার সব হারিয়েছে মানুষ। প্রতাপনগরের হরিষখালিতে জোয়ারের পানি আটকানো হলেও টং বেঁধে মাচা করে বেড়িবাঁধে বসবাস করা পরিবারগুলো বাড়িফেরা নিয়ে রয়েছে দুশ্চিন্তায়। তাদের না আছে চুলা না আছে চাল, না আছে বেড়া, না আছে ঘর। কারো বাড়িঘর গভীর খালে রূপ নিয়েছে।
শ্রীপুর-কুড়িকাহুনিয়া, চাকলার ভাঙন দিয়ে এখনো জোয়ারের পানি চলছে। বিভিন্ন সময়ে সরকারি ত্রাণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতা পেলেও মাথা গোজার ঠাঁই হয়নি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের। সরকার অনেক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দেশের উন্নয়নে। আমি একজন নাগরিক হিসেবে আশাবাদী, ঐ পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। তাই জনস্বার্থে সরকারের উদ্যোগে টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হোক। তাহলে মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে।
মোস্তাকিম বিল্লাহ
প্রতাপনগর, সাতক্ষীরা
