আসছে লঙ্কানদের নতুন প্রস্তাব

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:৪৭

স্পোর্টস রিপোর্টার

বিসিবি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা গিয়ে সাত দিনের বেশি কোয়ারেন্টাইন করবে না বাংলাদেশ দল। বিসিবির অবস্থান জানার পর বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে হোম সিরিজ আয়োজনের জন্য সবরকম চেষ্টাই করে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। গত দুই দিনে তাদের অনেক তোড়জোড় লক্ষ্য করা গেছে। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে বিসিবি আশাবাদী, আজ-কালের মধ্যেই সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদকাল নিয়ে সৃষ্ট জটও খুলতে শুরু করেছে। পূর্বের খসড়া সূচি অনুযায়ী সিরিজ আয়োজনের চেষ্টাই করছে এসএলসি। সরব হয়েছেন দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী নামাল রাজাপক্কে। এসএলসির কর্তারা মঙ্গলবার নিজেদের মধ্যে মিটিং করেছেন। সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রিত দেশটির কোভিড-১৯ টাস্কফোর্সের সঙ্গেও মিটিং করেছে এসএলসি। সার্বিক আলোচনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্য নতুন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে এসএলসি।

গতকাল শ্রীলঙ্কা থেকে জানা গেছে, জৈব বলয়ের মধ্যে রাখা হবে বাংলাদেশ দলকে। ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম থেকে সরে আসতে যাচ্ছে এসএলসি। লঙ্কায় পৌঁছে এক সপ্তাহ হোটেলে কোয়ারেন্টাইন করতে হবে মুমিনুলদের। এই সময়টাকে মূলত আইসোলেশন হিসেবে ধরা হবে। তবে আগের নিয়মের মতো এই সময়ে হোটেলবন্দি থাকতে হবে না ক্রিকেটারদের। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে নিজেরা অনুশীলনও করতে পারবেন টাইগাররা।

স্থানীয় সাংবাদিকদের সূত্রে জানা গেছে, পূর্বের সূচি অনুযায়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে উড়াল দিবে মুমিনুল বাহিনী। শুরুতেই বাংলাদেশ দলকে নিয়ে যাওয়া হবে হাম্বানটোটায়। সেখানেই প্রস্তুতি ম্যাচের আগ পর্যন্ত অবস্থান করবে টাইগাররা। এখানে ১৮-২০ অক্টোবর শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবেন মুমিনুল-মুশফিকরা। তারপর সফরকারীদের নেওয়া হবে প্রথম টেস্টের ভেন্যু ক্যান্ডিতে। পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে ২৪ অক্টোবর শুরু হতে পারে প্রথম টেস্ট।

বাংলাদেশ দলের বহরে ক্রিকেটার, অফিসিয়ালের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও নিয়েছে এসএলসি। ৩০ থেকে ৪০ জনে উন্নীত হতে পারে সদস্য সংখ্যা। যেখানে অন্তত ২৬ ক্রিকেটার থাকতে পারবেন। তবে এখন বিসিবির এইচপি দলকে আতিথ্য দিতে রাজি নয় এসএলসি।

অবশ্য হাম্বানটোটায় টাইগারদের রাখার প্রস্তাবনা সম্পর্কে জেনেছে বিসিবি। যদিও এই প্রস্তাবে রাজি হবে না বিসিবি। গতকাল বিসিবি সূত্র জানায়, আমরাও শুনছি হাম্বানটোটার কথা। কিন্তু ওখানে সম্ভব না থাকা। কারণ ওখানে মাঠ হোটেল থেকে অনেক দূরে। ৩০-৩৫ কিলোমিটার দূরে। আমরা ডাম্বুলা বা গলের কথা প্রস্তাব করব। ডাম্বুলাই ভালো। গলে জনসমাগম তুলনামূলক বেশি। তবে হাম্বানটোটায় থাকা সম্ভব নয়।