গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়েছে। করোনা ভাইরাসজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দীর্ঘ পাঁচ মাস পর আদালত খুললে গতকাল বুধবার আবারও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শুরু হয়। বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞ্চ শুনানি গ্রহণ করেন। শুনানিতে মামলার পেপারবুক থেকে বিচারিক আদালতের রায়ের অংশবিশেষ পড়ে শোনান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। শুনানি শেষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য রেখেছে হাইকোর্ট।
গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় বোমা পুঁতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়েরকৃত মামলায় ২০১৭ সালে ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২। এক আসামিকে যাবজ্জীবন ও তিন জনকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই ঘটনায় বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ৯ জনকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ট্রাইব্যুনাল।
২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় শেখ লুত্ফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময় শক্তিশালী একটি বোমা দেখতে পাওয়া যায়। সেনাবাহিনীর একটি দল ৭৬ কেজি ওজনের ঐ বোমা উদ্ধার করে। পরদিন ২৩ জুলাই ৪০ কেজি ওজনের একটি বোমা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ঐ দিনই কোটালিপাড়া থানায় হত্যাচেষ্টা এবং বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দুইটি মামলা করা হয়।
