সরকারের যথেষ্ট উদ্যোগ ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও বাজারে হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। এ ব্যাপারে টেলিফোন ও
ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকের অভিমত প্রকাশিত হলো আজ
পেঁয়াজের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে গেল। স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে যে, দাম নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয়। আমার মনে হয়, এই সমস্যা সমাধানের একটি উপায় আছে, তা হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি উক্তিকে যথাযথভাবে মেনে চলা। তিনি গতবার বলেছিলেন, তার রান্নাঘরে পেঁয়াজ বন্ধ। আমরা যদি তার এ কথাটিকে স্মরণ রেখে মাত্র সাত দিন পেঁয়াজ উপবাস করি, তাহলে পেঁয়াজের দাম সুড়সুড় করে নিম্নমুখী হয়ে যাবে। আসুন আমরা সবাই পেঁয়াজ উপবাসে অভ্যস্ত হই।
মাখরাজ খান, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
পেঁয়াজের বাজার আবার অস্থির হওয়ার পেছনে পুরোটা দায় সিন্ডিকেট চক্রের। আমাদের পেঁয়াজের চাহিদার কিছু অংশ আমদানি নির্ভর হলেও তার উত্স শুধু ভারত নয়, আরো দেশ থেকে তা আমদানি করা হয়। অথচ শুধু অতিরিক্ত লাভের আশায় কতিপয় ব্যবসায়ী হঠাত্ পেঁয়াজের বাজারকে বিশৃঙ্খল করল। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে দেশে উত্পাদন বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিতে হবে। সহজ করতে হবে আমদানি প্রক্রিয়া। আর অসাধু সিন্ডিকেটের মূল চিরতরে উপড়ে ফেলতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়াও সময়ের দাবি।
এএফএম সালাহউদ্দীন
ধ্রুবনীল এন্টারপ্রাইজ
বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।
দেশের সর্ববৃহত্ ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে সোমবার সকালে পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা। ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরই রাত পর্যন্ত ক্রমাগত দাম বেড়ে বিক্রি হয় ৫০ টাকায়। মঙ্গলবার সকাল থেকে আবারও প্রতি ঘণ্টায় বাড়তে শুরু করে পেঁয়াজের দাম। দুপুর ১টা পর্যন্ত কেজিপ্রতি দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৭০ টাকা। মূলত ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি, সিন্ডিকেট চক্র, প্রয়োজনীয় চাহিদার চেয়ে জোগানের অভাব পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী। সরকারের উচিত হবে অতি দ্রুত পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি নিরসনে অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির ব্যবস্থা করা। তাছাড়া পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিকারক সিন্ডিকেট চক্রের হোতাদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
মো. হাছিবুল বাসার মানিক
শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
করোনা পরিস্থিতির কারণে যে কোনো পণ্যের আমদানি স্বাভাবিক নয়। আর পেঁয়াজের চাহিদা পূরণ করতে যেহেতু আমদানিও করতে হয় সেহেতু বাজারে প্রভাব পড়াটা অনুমিতই। কিন্তু এখন যে অবস্থার সৃষ্টি হলো তাতে করোনা বা ভারতের রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তের চেয়ে সিন্ডিকেট সদস্যদের অপচেষ্টাই মূলত দায়ী। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কঠোর অবস্থানে যেতে হবে।
মোহাম্মদ ফয়সাল
১৪৬ ডি টি রোড পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম।
আমাদের বাজার ব্যবস্থাপনায় সিন্ডিকেট যে কতটা বেপরোয়া তা পেঁয়াজের মূল্য ও সরবরাহের চলমান নৈরাজ্যে আরো একবার প্রমাণিত। নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এমন নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির ইতি টানা সম্ভব নয়।
আবু ফারুক
বনরূপাপাড়া, সদর, বান্দরবান।
আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা সুযোগ সন্ধানী। প্রথম স্থানে রয়েছে আমদানি কারকরা। এজন্য উদ্যোগ শুধুু আমদানিতে নয়, দেশে উন্নত জাতের পেঁয়াজ চাষাবাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। ক্ষমতাধর ব্যবসায়ী পেঁয়াজ আমদানি করে। বছরের কোনো একসময় পরিকল্পিত সংকট সৃষ্টি করে। শক্তিশালী সিন্ডিকেট হাতিয়ে নেয় জনগণের পকেটের টাকা। উদ্যোগ, নজরদারি ও সরবরাহ নিশ্চিতে ঐ স্থানগুলোর অদৃশ্য ভূত তাড়াবার ব্যবস্থা করতে হবে।
জিয়াউল হক সরকার, পূবাইল,গাজীপুর।
নিত্যপ্রয়োজনীয় আনাজের মধ্যে পেঁয়াজ অন্যতম। পেঁয়াজ ছাড়া কোনো কিছুই তেমন মজাদার হয় না। কোনো কারণে দাম বেড়ে গেলে আগ্রহটা যেন আরো বেড়ে যায়। গত বছর পেঁয়াজ নিয়ে যে লঙ্কাকাণ্ড ঘটে গেছে তা জাতি ভুলতে না ভুলতেই আবার শুরু হয়েছে পেঁয়াজের দাম বাড়া। এর একমাত্র কারণ হলো—একদল মোনাফালোভী অসাধু ব্যবসায়ী চক্রের সিন্ডিকেট। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এবং সংকটকালে আমাদের বেশি বেশি কেনার হুজুগে ভাবটাও কমাতে হবে।
উবাইদুল্লাহ তারানগরী
দুধনই ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।
এটা দেশের অতি মুনাফাখোর অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি। যে কারসাজি এখনো বন্ধ হয়নি! এরা করোনার মতো দুর্যোগের মধ্যেও জনগণকে জিম্মি করে মুনাফা লুটছে। এমনকি বন্যার মধ্যেও লুটেছে। অতীতেও চিনি পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে এরা মুনাফা লুটেছিল। লবণের দাম বাড়িয়ে মুনাফা লোটার অপচেষ্টা করেছিল। দ্রুত ভ্রাম্যমাণ মোবাইল টিমকে আরো সক্রিয় করতে হবে বলেই আমার মনে হয়।
বিলকিছ আক্তার, কাউনিয়া, রংপুর।
করোনাকালে এ ধরনের অস্বাভাবিক দাম বাড়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়! সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দেশে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুত রয়েছে, আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। পেঁয়াজের সংকট বা মূল্যবৃদ্ধির কোনো ধরনের সংগত কারণ নেই। পেঁয়াজের অবৈধ মজুত বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা করা হলে সরকার আইন মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং টিম এবং পেঁয়াজের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) অবিলম্ব্বে খোলাবাজারে ট্রাক সেলের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে, নতুন পেঁয়াজ বাজারে না আসা পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখা হোক।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর।
ভারত হঠাত্ করে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করায় বাংলাদেশে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ৪০ টাকা থেকে ১২০ টাকা হয়েছে, যা সাধারণ জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ভারত একই কাজ করেছিল। তখন পেঁয়াজের মূল্য ৩০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। বন্যাকবলিত হওয়ার পর পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখার অজুহাতে ভারতের এ সিদ্ধান্ত। ভারত আরো যা করেছে, পূর্বের এলসি করা কয়েক হাজার টন পেঁয়াজের ট্রাক বিভিন্ন স্থলবন্দরে আটকে দিয়েছে, এর মধ্যে হিলি বন্দরেই আছে ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক। পেঁয়াজ পচনশীল, চলমান সমস্যা সমাধানের অনেক পূর্বেই হয়তো পেঁয়াজ পচে যাবে, তাতে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ, কষ্ট পাবে বাংলাদেশের মানুষ, ভারত অটল থাকবে নো কেয়ার নীতিতে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শুধু ভারতকে তাদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েই ক্ষান্ত হচ্ছে—সেখানে চাওয়া হচ্ছে না কোনো কৈফিয়ত—এ কেমন নড়বড়ে বাণিজ্যচুক্তি, যেখানে ভারত যা খুশি তাই করতে পারে? কেন নেই তাদের কোনো দায়ভার, নেই কোনো পূর্ব নোটিশ করার প্রয়োজনীয়তা? গত দুই-তিন মাস যাবত্ ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল বন্যাকবলিত হওয়ার পরও কেন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে আগে থেকেই ভাবেনি?
ডা. মর্জিনা আক্তার
বারিধারা পাইল্স কিউর সেন্টার, গুলশান, ঢাকা।
কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই ভারত হুট করে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। গত বছরও সেপ্টেম্বর মাসে কোনো ঘোষণা ছাড়াই ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল। তখন হু হু করে দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ৩০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। এবারও সেই সেপ্টেম্বরেই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিল। পরিস্থিতি যা, তাতে মনে হচ্ছে পেঁয়াজের দাম আরো বাড়তে পারে। কারণ ভারত রপ্তানি বন্ধ করার পর আজ পেঁয়াজ কেনার পরিমাণ বেড়ে গেছে। গতবার পেঁয়াজের দাম কমাতে নানামুখী প্রচেষ্টা চালায় সরকার। মিয়ানমার, মিশর থেকে আমদানি করা হয় পেঁয়াজ। এতে কিছুটা দাম কমে। তার পরও পেঁয়াজের ঝাঁজ ছিল বেশ চড়া। ১০০ টাকার নিচে পেঁয়াজ মিলছিল না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, দেশে পেঁয়াজ উত্পাদন ও বিপণনে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই, নেই বাজারের ওপর কোনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণ। পূর্ববর্তী বছরগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে যদি পূর্বপরিকল্পনামতো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হতো, তবে এ ধরনের অবস্থার সৃষ্টি হতো না।
মো. জিল্লুর রহমান, ব্যাংকার ও লেখক,
সতিশ সরকার রোড, গ্লোরিয়া, ঢাকা
পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক কিংবা স্থিতিশীল রাখতে সরবরাহের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
বজলুল, ‘রিক’, ধানমন্ডি, ঢাকা
গত বছর এ সময়ে পেঁয়াজের দাম অস্থির হয়ে উঠেছিল। এই মূল্যবৃদ্ধির লাগাম এখনই টেনে ধরা প্রয়োজন। গত বছর অনেক পরিবার পেঁয়াজ ছাড়াই রান্নাচর্চা শুরু করেছিল। এখন করোনাকাল, এমনিতেই মানুষের জীবন বিপর্যস্ত, প্রায় সব মানুষের আয় কমেছে, রোজগার নেই। চিকিত্সা, নিরাপত্তাসামগ্রীসহ নানা খাতে খরচ বেড়েছে। এর মধ্যে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি পেঁয়াজের নিঃসন্দেহে এটি মানুষের জন্য কষ্টদায়ক, বেদনাদায়ক, দুঃখজনক।
শিশির, পিলখানা, ঢাকা
পেঁয়াজ নিয়ে আবারও হুলস্থূল। এমনিতেই সাধারণ মানুষের জীবনযাপনে নাভিশ্বাস উঠেছে করোনার জন্য। এরপর দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বমুখীসহ নতুন করে যোগ হয়েছে নিত্যদিনের খাবার তৈরির পণ্য পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি। আমরা মনে করি, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করুক বা না-ই করুক, দেশে সবসময় পেঁয়াজ সরবরাহের ব্যবস্থা থাকা একান্ত জরুরি।
আল-মায়ামী, ফুলবাড়িয়া, সাভার
গেল বছরের সেপ্টেম্বরের আচমকা পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করেছিল ভারত। এবারও সেই একই ঘটনা। গত সোমবার ভারতের রপ্তানি বন্ধের ঘোষণার পর এক রাতেই বেসামাল হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার। নিম্নবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত মানুষ সংসার চালাতে আবারও সমস্যায় পড়বেন। এজন্য শুরুতেই প্রশাসনের ভূমিকা প্রয়োজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
ফারুক আহমেদ, বাগমারা, রাজশাহী
কেবল সরকারের সদিচ্ছা থাকলে চলবে না। প্রশাসনের সঠিক নজরদারি থাকতে হবে। আজ মনে হচ্ছে, সরকার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি। জনগণের কোনো ক্ষমতা নেই কিছু করার। একমাত্র সরকার ও প্রশাসনই পারে পেঁয়াজের মূল্য কমাতে।
মো. আল আমিন সুমন
সরিকল, গৌরনদী, বরিশাল।
কিছু সুবিধাবাদী ব্যবসায়ী বা সিন্ডিকেটের জন্য আজ পেঁয়াজের দামের এই অবস্থা। এই মুহূর্তে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা অত্যন্ত জরুরি। জনগণ আজ এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চায়।
মো. রুহুল আমীন
আলীপুরা, ভবেরচর, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
আমাদের দেশে প্রায় ৩০ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ২০ লাখ টন আমাদের দেশেই উত্পন্ন হয়। বাকি ১০ লাখ টন পেঁয়াজের জন্য আমাদের পরনির্ভরশীল হতে হয়। দেশে প্রচুর পেঁয়াজ থাকা সত্ত্বেও ভারতের রপ্তানি বন্ধের খবরে কিছু বিক্রেতা ও মওজুদার পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আবার অনেক মওজুদদার বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। এই সংকট নিরসনে ভোক্তাদের পেঁয়াজের ব্যবহার কমিয়ে আনলে দামও কমে যাবে। সেই সঙ্গে পেঁয়াজচাষিদের প্রণোদনা দিয়ে উত্পাদন বৃদ্ধি এবং সরকারি পর্যায়ে খাদ্যপণ্যের মতো পেঁয়াজ সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা হলে চালের মতো পেঁয়াজও রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
মোহাম্মদ ইসলাম
পায়েরখোলা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা।
ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করায় বাংলাদেশের সব ব্যবসায়ী একযোগে পেঁয়াজের দাম বাড়ালেন। তাহলে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকরা ব্যবসায়ীদের হাতে জিম্মি। পাইকারি থেকে শুরু করে খুচরা ব্যবসায়ী—যে যেভাবে পারছে ভোক্তাদের জিম্মি করে বেশি দাম হাতিয়ে নিচ্ছে। সাধারণ মানুষ আর কত জিম্মি হবে—সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন।
মো. আনিসুর রহমান আনিস
ফুলতলা, খুলনা
ভারতে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করায় দেশে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। ভারত বন্ধ করে দিলেই ব্যবসায়ীরা অন্য দেশের পেঁয়াজ খুঁজতে শুরু করেন, সে ক্ষেত্রে তাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আনা আবশ্যক। অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি পেলে আবারও পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক হবে। একই সঙ্গে সরকারি উদ্যোগে বাজার মনিটরিং বাড়াতে হবে।
মো. শহীদুল ইসলাম রয়েল
নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া
