বাংলা
মো. সুজাউদ দৌলা, সহকারি অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা
অতিথির স্মৃতি
প্রশ্ন ১। লেখক দেওঘরে কেন এসেছিল?
উত্তর: বায়ু পরিবর্তনের জন্য লেখক দেওঘরে এসেছিল।
প্রশ্ন ২। কোন পাখি সবচেয়ে ভোরে ওঠে?
উত্তর: দোয়েল পাখি সবচেয়ে ভোরে ওঠে।
প্রশ্ন ৩। পাখি চালান দেওয়া কাদের ব্যবসা?
উত্তর: পাখি চালান দেওয়া ব্যাধের ব্যবসা।
প্রশ্ন ৪। দেওঘরে গলাভাঙা লোকটি একঘেয়ে সুরে কী গান গাইত?
উত্তর: ভজন গান।
প্রশ্ন ৫। কখন ভজন গান শুরু হতো?
উত্তর: রাত্রি তিনটে থেকে ভজন গান শুরু হতো।
প্রশ্ন ৬। পাখিদের মধ্যে একটু দেরি করে আসত কারা?
উত্তর: হলদে রঙের একজোড়া বেনে-বৌ পাখি।
প্রশ্ন ৭। বেনে-বৌ পাখিজোড়া ক’দিন পর ফিরে এসেছিল?
উত্তর: তিন দিন পর।
প্রশ্ন ৮। দেওঘরে পীড়িতদের মধ্যে কাদের সংখ্যা বেশি ছিল?
উত্তর: মেয়েদের।
প্রশ্ন ৯। পা ফুলো ফুলো মেয়েদের কী রোগ ছিল?
উত্তর: বেরিবেরি।
প্রশ্ন ১০। কাকে দেখে লেখকের সবচেয়ে দুঃখ হতো?
উত্তর: একটি দরিদ্র ঘরের মেয়েকে দেখে লেখকের সবচেয়ে দুঃখ হতো।
প্রশ্ন ১১। সন্ধ্যার পূর্বেই কাদের ঘরে প্রবেশ করা প্রয়োজন ছিল?
উত্তর: বাত ব্যাধিগ্রস্তদের।
প্রশ্ন ১২। ভজন কী?
উত্তর: প্রার্থনামূলক গানকে ভজন বলে।
প্রশ্ন ১৩। মালিনী বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মালির স্ত্রীকে
প্রশ্ন ১৪। অন্ধকারে লেখকের সঙ্গী হয়েছিল কে?
উত্তর: একটি কুকুর।
প্রশ্ন ১৫। লেখক অতিথিশালায় কাকে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন?
উত্তর: একটি কুকুরকে নিয়ে অতিথিশালায় উপস্থিত হয়েছিলেন।
