স্পোর্টস রিপোর্টার
এতদিন পর বসুন্ধরা কিংস বলছে, তারা আগেই এশিয়ান কোটা নিয়ে আলোচনা করে রেখেছিল। গতকালই চূড়ান্ত করল। ইরানি ফুটবলার চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান। খালেদ সাফিই নামের এই ফুটবলারের বয়স ৩৩। খেলছেন সেন্টারব্যাক পজিশনে। ইরানের টপ লিগেরই দলের ফুটবলার তিনি। ক্লাবের নাম সেপাহান। বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি বললেন, ‘গত মৌসুমে রক্ষণভাগ আমাদের ভুগিয়েছিল। একারণে রক্ষণভাগের খেলোয়াড় এনেছি। একজন বিদেশি ফুটবলার থাকলে অন্যরা সাহসই পাবে না বরং এটার একটা বড় প্রভাবও থাকে।’ আগামী অক্টোবরে আসবে ইরানি এই ফুটবলার।
বসুন্ধরা কিংসের বিদেশি কোটা পূরণ হয়ে গেল। এর আগে ব্রাজিলীয় দুই ফুটবলার এসেছেন। চুক্তিবদ্ধ ফুটবলার আর্জেন্টাইন বারকোস এসেছেন। এই তিন বিদেশির সঙ্গে ইরানি ফুটবলার যোগ হলে বুসন্ধরার ফুটবল শক্তিতে বাড়তি মাত্রা পাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
এএফসি কাপ ফুটবলের জন্য সব প্রস্তুতি নিয়েও করোনা ভাইরাসের কারণে শেষ পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টের খেলা হলোই না। প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরার সব বিনিয়োগ জলে গেছে। তারপরও এই ক্লাবটি থেমে নেই। ফুটবলের স্বার্থের কথা বিবেচনা রেখে তারা শক্তিশালী দল গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। বিদেশিদের চুক্তি বাতিল না করে বরং আরো খেলোয়াড় চুক্তিবদ্ধ করেছে। লক্ষ্য হচ্ছে আগামী বছর এএফসি কাপ ফুটবলে লড়াই করা। ইমরুল হাসান বললেন, ‘জানুয়ারিতে এএফসি কাপের প্লেয়অফ ম্যাচ শুরু হতে পারে এমন একটা কথা শোনা যাচ্ছে। বসুন্ধরা চায় তারা এএফসি কাপে খেলবে। তা ছাড়া প্রিমিয়ার লিগতো আছেই।’ তিনি বলেন, আমরা ইরানি ফুটবলারের সঙ্গে কথা বলে রেখেছিলাম। ঘোষণা দেইনি কারণ লিগ কমিটির সভায় যদি বিদেশি কোটা বাতিল হয় কিংবা কমে যায় তাহলে অন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো। চার বিদেশি রেখেছে তাই আমরা চার জন রাখলাম। এশিয়ান কোটা নিশ্চিত করলাম। বারকোসের সঙ্গে ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও সেটি আরা এক বছর বাড়ানো হবে।’
