ফতুল্লার পশ্চিম তল্লার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিতাসের সাময়িক বরখাস্ত আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। এদিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিত্সাধীন দগ্ধ আরো দুই জন মারা গেছেন। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩। গতকাল শনিবার দুপুরে সিআইডির জেলা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির ডিআইজি মঈনুল হাসান।
ডিআইজি মঈনুল হাসান বলেন, তিতাসের গ্রেফতার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এই বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্য কারো অবহেলার সম্পৃক্ততা পেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। গ্রেফতারকৃতরা সবাই মাঠপর্যায়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে তাদের দোষের প্রমাণ পাওয়া গেছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—ফতুল্লা জোনের তিতাস গ্যাস কোম্পানির ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান রাব্বী, সহকারী প্রকৌশলী এস এম হাসান শাহরিয়ার, সহকারী প্রকৌশলী মানিক মিয়া, ফতুল্লা জোনের সিনিয়র সুপার ভাইজার মনিবুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র উন্নয়নকারী আইউব আলী, সাহায্যকারী হানিফ মিয়াা, ওয়েল্ডার ইসমাইল প্রধান। গত ৭ সেপ্টেম্বর তাদের সাময়িক বরখাস্ত করে তিতাস কর্তৃপক্ষ।
বায়তুল সালাহ জামে মসজিদে গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দগ্ধ আজিজ (৪০) ও ফরিদ (৫৫) গতকাল শনিবার মারা যান। মৃত আজিজ শরিয়তপুরের নড়িয়া কেদারপুর গ্রামের মনুমিয়ার ছেলে। ফরিদ ময়মনসিংয়ের ত্রিশালের আব্দুর রহমানের ছেলে। সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, আদালত গ্রেফতারকৃতদের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।
