স্পোর্টস রিপোর্টার
ফুটবল উন্নয়নে বর্তমান সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের পক্ষে নতুন পুরোনো মিলিয়ে ৩৬টি উন্নয়ন প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় দল নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল, সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ও এসএ গেমস ফুটবলে স্বর্ণপদক জয়, জুনিয়র ফুটবল, প্রতিভা অন্বেষণ, ঘরোয়া লিগ, জেলা লিগের জন্য ডিএফএ পাবে বাত্সরিক অর্থ বরাদ্দ, মহিলা ফুটবল, একাডেমি, ফেডারেশনে কাউন্সিলরদের জন্য নির্দিষ্ট স্থান, ২০২৪ সালের মধ্যে ফিফা র্যাংকিংয়ে উন্নতি করতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা, ১৫০-এর কাছাকাছি র্যাংকিংয়ে নেওয়া এবং নারী ফুটবলে র্যাংকিংয়ে ৯০-এর কাছাকাছি উন্নতি করা সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। সালাহউদ্দিনের পক্ষে ৩৬টি ইশতেহার ঘোষণা দেন কাজী নাবিল আহমেদ, হারুনুর রশিদ, মাহফুজা আক্তার কিরণ, আতাউর রহমান মানিক, আমিরুল ইসলাম বাবু এবং ইমরুল হাসান।
গতকাল দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার আগে নির্বাচনের সমন্বয়কারী জাতীয় সংসদে সরকার দলের হুইপ সামসুল হক চৌধুরী বলেন, ‘নতুন পুরাতন নিয়ে এই প্যানেল। এখনো বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দেওয়ার মতো ক্ষমতা কারো নেই। আমাদের বিপক্ষে ছিন্নমুলের মতো প্যানেল দেওয়া হয়েছে। একজন আছেন সারা জীবন অন্যের ওপর ভর করে চলেন। আরেকজন চট্টগ্রাম আবাহনী হতে ২০ লাখ টাকা নিয়ে গেছেন ফেরতও দেননি। ক্রীড়াবিদ, ক্রীড়া সংগঠকরা সালাউদ্দিনের সঙ্গে আছেন। কাউন্সিলর ভাইদের বলছি সালাহউদ্দিনের বিকল্প নেই।’
২০১৬ সালের নির্বাচনের ইশতেহার তার দেওয়া ছিল না বলে অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন সভাপতি প্রার্থী সালাহউদ্দিন। জাতীয় দল নিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা মালয়েশিয়ায় ভোরে পৌঁছে দুপুরে খেলতে নেমেছি। এখন জাতীয় দল ১৫ দিন বিদেশে অনুশীলন করে। ক্লাব ফুটবলে ৫০ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পায়। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে। আমরা এক জোড়া বুট পাইনি। আমরা যখন বাফুফের দায়িত্ব গ্রহণ করি তখন ১৮০ র্যাংকিং। খেলা নেই। স্টেডিয়াম বন্ধ। আন্দোলন চলছে। খেলোয়াড়রা ফুটবল ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছিল। ধ্বংস্তূপ থেকে আমরা তুলে আনার চেষ্টা করেছি।’
সালাহউদ্দিন বলেছেন, ‘এখন টাকা হাতে আছে জিম হবে। কাতার ওয়ার্ল্ডকাপে খেলবে বলিনি চেষ্টা করব বলেছি। আপনি যদি চেষ্টা না করে ঘরে বসে থাকেন তাহলে কোনো দিনও এগুতে পারবেন না। বিদেশি ফুটবলার সংখ্যা নির্ভর করে ক্লাবগুলোর ওপর। চট্টগ্রামে ভেন্যু হয়নি পলিটিকসের কারণে।’
