দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার পিতা ওমর আলী শেখের ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে দায় স্বীকার করেছেন তারই অফিসের বরখাস্তকৃত মালি রবিউল ইসলাম। দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে গতকাল রবিবার দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের আদালতে ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
ইউএনওর ওপর হামলা মামলায় গ্রেফতারকৃত পাঁচ আসামির মধ্যে সবশেষে গত ৯ সেপ্টেম্বর রবিউলকে গ্রেফতার করা হয়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর তাকে দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি ইমাম জাফর সাংবাদিকদের জানান, ইউএনওর ওপর হামলার ঘটনায় আসামি রবিউল ইসলাম রিমান্ডে আমাদের কাছে দায় স্বীকার করে। পরে আদালত তার স্বেচ্ছায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করে। এই হামলায় সে একাই ছিল। মূলত ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকেই এই হামলা চালায় সে।
গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার দিবাগত রাতে সরকারি বাসভবনে ঢুকে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তার পিতাকে নির্মমভাবে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় ইউএনওর বড়ভাই শেখ ফরিদ উদ্দীন বাদী হয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেন। মামলাটি পরে দিনাজপুর ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ মামলায় প্রথমে র্যাব দাবি করে প্রধান আসামি আসাদুল ইসলাম চুরির উদ্দেশ্যে এই হামলা চালিয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় নবীরুল ইসলাম, নাদিম হোসেন পলাশ ও সান্টু কুমার দাসকে গ্রেফতার করা হয়। তারা এখন জেলহাজতে রয়েছেন। এর আগে আসামি রবিউল ইসলামকে প্রথম দফায় ৬ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।
