তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার অপরাধ বৃদ্ধির কারণ

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:৪৬

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার বলতে বোঝায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও ইন্টারনেটের অপসংস্কৃতিভিত্তিক কার্যক্রম। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম সংঘটিত হয়। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উঠতি বয়সীদের সুকুমার বৃদ্ধি ও নৈতিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার অপব্যবহার এবং আক্রমণাত্মক ভিডিও গেমসের প্রতি অতিমাত্রায় আসক্তি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তি অপব্যবহার, ভিন্ন সংস্কৃতি কারণে আমাদের কিশোররা নানা রকম গ্যাং কালচার তৈরি করে নানারকম অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।’ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া এখন আর সোশ্যাল মিডিয়া নেই, সোশ্যাল কোকেন হয়ে গেছে। তা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’ পুলিশের কাউন্টার টেররিজম এবং পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ এবং সবধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাব যাতে সোশ্যাল মিডিয়াতে সেন্সরশিপ আরোপ করা হয়। ফিল্টারিং, মনিটরিং, স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা যাতে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে কেউ সহজেই অপরাধে উসকে দিতে না পারে।

মো. তোফায়েল আহমেদ

শিক্ষার্থী, বিবিএ, ঢাকা কলেজ