সম্প্রতি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ভোটার নিবন্ধনে জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসায় বিভিন্ন মহলে সমালোচনার মধ্যে পড়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার জালিয়াতি বন্ধে মাঠ পর্যায়ে কড়া বার্তা দিল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। গত আট বছরে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকায় ৩৯ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এছাড়া এনআইডি সংক্রান্ত দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে পারলে তাকে পুরস্কৃত করা হবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এনআইডি জালিয়াতি বন্ধে ইসির উপসচিব ও আইডিইএ প্রকল্পের উপপ্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. নুরুজ্জামান খান স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা রবিবার দেশের সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা/সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা/থানা/উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।
ঐ নির্দেশনায় বলা হয়, যে কোনো পর্যায়ে যে কোনো অপরাধ এবং দুর্নীতি রোধকল্পে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণে কর্তৃপক্ষ বদ্ধপকির।
আইন অনুযায়ী শাস্তির বিধান তুলে ধরে ঐ নির্দেশনায় বলা হয়, কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী দোষী প্রমাণিত হলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০-এর ধারা ১৬(১) অনুযায়ী জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রমে তথ্যউপাত্ত বিকৃত-বিনষ্ট করার অপরাধে অনূর্ধ্ব সাত বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন, ধারা ১৭ মোতাবেক জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন কার্যক্রমে দায়িত্বে অবহেলা করলে অনূর্ধ্ব এক বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
