শুলশানে বাংলাদেশ শ্যুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের চতুর্থ তলায় শ্যুটার এবং ফেডারেশনের এডহক কর্মকর্তা সবাই এক জায়গায় ভিড়। অনেক দিন এই বন্ধন দেখা যায়নি। ফেডারেশনের মহাসচিব আর সভাপতির দ্বন্দ্বে খেলাটাই যেন অন্ধকারে হারিয়ে যেতে বসেছিল। নতুন সভাপতি মনোনয়ন দিয়ে গতকালই আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান। প্রথম সভায় জানিয়ে দিয়েছেন সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। সবার মনের মধ্যে যেন শ্যুটিংয়ের জন্য এবং দেশের জন্য কাজ করার মনোভাব থাকে।
নির্বাহী কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে নতুন সভাপতি জানান শ্যুটিং নিয়ে ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা। ক্রীড়াবিদদের অস্ত্র নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা খুবই দ্রুতই সমাধান করবেন সভাপতি। শ্যুটারদের প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশি কোচ আনতে চান। প্রশিক্ষণের জন্য তাদের বিদেশে পাঠাতে চান তিনি। বিদেশে যারা শ্যুটিংয়ে সংযুক্ত আছেন তাদের কীভাবে দেশের শ্যুটিংয়ে সম্পৃক্ত করা যায়, আনা যায়, সেই ভাবনাও আছে তার। সামনে অলিম্পিক গেমস আছে সেটিও নতুন সভাপতির ভাবনা কাজ করছে। এডহক কমিটির সভাপতি সারওয়ার হাসান বলেন, ‘এডহক কমিটির কাজকর্ম গুছিয়ে এনে অনতিবিলম্বে নির্বাচন দেওয়া হবে।’
নতুন সভাপতির সঙ্গে ছিলেন আগের কমিটির এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ইন্তেখাবুল হামিদ অপু এবং সিনিয়র সহসভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ বাবলু।
নতুন কমিটি আসায় নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন শ্যুটাররা। কর্মকর্তাদের মধ্যে যেটাই হোক করোনার কারণে অনেক দিন অনুশীলন হচ্ছে না। তারকা শ্যুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকি বললেন, ‘নিজের রাইফেল নিয়ে খেলতে পারলে অন্যরকম আনন্দ।’ আরেক শ্যুটার শাকিল বললেন, ‘এনবিআরএতে আমাদের অস্ত্র আটকা আছে। দ্রুত পাওয়া গেলে অনুশীলনও শুরু করতে পারব।’
জানা গেছে, পাঁচ জন বিদেশি কোচের একটা তালিকা ফেডারেশনের হাতে। যেখান থেকে একজন পিস্তল কোচ এবং রাইফেল কোচ চূড়ান্ত করা হবে।
