কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে এলজিইডির আওতাধীন পাঁচ কিলোমিটার হুমায়ূন আহমেদ সড়কটি এখন বেহাল হয়ে পড়েছে। এ সড়কের পাকা অংশের কার্পেটিং ও পিচ উঠে গিয়ে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে জনসাধারণ। ২০০৮ সালে সড়কটির এক কিলোমিটার পাকাকরণ করা হয়। কয়েক বছরেই পিচ-ঢালাই উঠে যায়। এরপর সড়কটির আরো দেড় কিলোমিটার হেরিংবোনবন্ড (এইচবিবি) উন্নয়ন করা হয়। গত অর্থবছরে তৃতীয়বারের মতো সড়কটির আরো এক কিলোমিটার হেরিংবোনবন্ড (এইচবিবি) উন্নয়ন করা হয়। বাকি প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়ক কাঁচা অবস্থায় আছে।
২০১৪ সালে হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে কেন্দুয়া উপজেলার চেংজানা-বঙ্গবাজার সড়কের নামকরণ করা হয় হুমায়ূন আহমেদ সড়ক। জানা গেছে, কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় পাঁচ কিলোমিটার। এক সময় রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের সাত/আটটি গ্রামের মানুষের জেলা ও উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ করার সহজ মাধ্যম ছিল এ সড়কটি। কিন্তু বর্তমানে রাস্তাটির একটি অংশ পুকুর গর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভেঙে গেছে কয়েকটি কালভার্ট। বিশেষ করে হুমায়ূন আহমেদ প্রতিষ্ঠিত ‘শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে’ দেশের দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটক ও দর্শানার্থী এ পথে এসে পড়েন দুর্ভোগে।
শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান জানান, শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠটি এক নজর দেখতে বহু পর্যটক, দর্শানার্থীর আগমন ঘটে। রাস্তায় দুর্ভোগের শিকার হওয়ার অনেক তিক্ততার কথা তারা আমাদের জানায়। আমাদের শিক্ষার্থীরাও খুব কষ্ট করে এ পথ পাড়ি দিয়ে স্কুলে আসা-যাওয়া করে। প্রশাসনিক কাজে পাঁচ কিলোমিটার রাস্তার জন্যে ঘুরে যেতে হয় প্রায় ১২ কিলোমিটার রাস্তা। চেংজানা-বঙ্গবাজার সড়কটি পাকাকরণ করা হলে এলাকার জীবনমান উন্নয়ন হবে। তিনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে রাস্তাটি পাকাকরণের জোর দাবি জানান। এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন জানান, সড়কটি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিলের কাছে সড়কটির ব্যাপারে প্রাক্কলন জমা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সড়কটির মেরামত কাজ ও কাঁচা অংশের পাকাকরণের কাজ শুরু হবে।
