নির্বাচন কমিশন কারো পক্ষপাতিত্ব করে না, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা করে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। গতকাল বুধবার পাবনায় গত জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নুরুল হুদা একথা বলেন।
পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যোগদানের আগে সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেবে কমিশন। ভোটের দিন সকালে ভোটকেন্দ্রে যাবে ব্যালট পেপার।
সকালে ব্যালট পেপার কেন্দ্রে পৌঁছানোর নতুন নিয়ম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতের নানা রকম অভিযোগ থেকে পরিত্রাণের জন্যই এই ব্যবস্থা। নির্বাচনব্যবস্থার জন্য এটি অপমানজনক হলেও সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এখানে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ রয়েছে জানিয়ে সিইসি বলেন, প্রত্যেক প্রার্থীর জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেজন্য এখানে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশা পোষণ করেছেন।
সিইসি বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় করোনাকালে নির্বাচন করছে কমিশন। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থীদের নির্বাচন আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে অংশগ্রহণকারীদের দায়িত্বশীল আচরণেরও আহ্বান জানান তিনি।
আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও সাবেক ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ গত ২ এপ্রিল মারা গেলে আসনটি শূন্য হয়ে পড়ে। এবারের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে ঈশ্বরদী উপজেলার তিন বার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান বিশ্বাস, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব এবং জাতীয় পার্টি-জাপার রেজাউল করিম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
