আসন্ন শীতে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ বা দ্বিতীয় ঢেউয়ের দেখা দিতে পারে। এতে নতুন করে এর প্রকোপ আরো বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। আমরা কি করোনার এই ঢেউ প্রতিরোধে সচেতন ও প্রস্তুত? এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের মতামত আজ তুলে ধরা হলো।
বিশ্বে শীতপ্রধান দেশগুলোই কোভিড-১৯-এর প্রভাবে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ফ্রান্সসহ অন্য শীতপ্রধান দেশগুলোতে একই অবস্থা বিরাজ করছে। আমাদের দেশে শীতের আগমন ঘটতে চলেছে। শীতের আগমনে দেশের মানুষ আতঙ্ক ও শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন। শীত মৌসুমে করোনার প্রকোপ আরো বাড়তে পারে। এ ব্যাপারে সম্মিলিত প্রচেষ্টা নিশ্চয়ই গ্রহণ করতে হবে, মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। করোনার প্রচণ্ড প্রকোপ শীত মৌসুমে দেখা দিলে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, যেহেতু শীত আসতে এখনো দুই মাস বাকি, তাই এর মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে।
ফারুক আহমেদ, বাগমারা, রাজশাহী
করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ বা ঢেউ বলতে বুঝায় সংক্রমণ কমে যাওয়ার পর আবার বেড়ে যাওয়া, যা ইউরোপের অনেক দেশে আমরা লক্ষ্য করছি। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অরগানাইজেশনসহ স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে এমন বিভিন্ন মহলের মতে—আসন্ন শীতে করোনা ভাইরাস ভয়ংকর রূপ নিতে পারে। ঠান্ডা ভাইরাসটির বেঁচে থাকা ও সংক্রমিত করা দুই দিক থেকেই অনুকূল পরিবেশ, তখন বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় আক্রান্ত রোগীর হাঁচি-কাশির থেকে নির্গত জীবাণু দীর্ঘ সময় বাতাসে ভেসে থাকতে পারে এবং সহজেই তা সংক্রমিত করতে পারে অন্যকে। আর শীতে নিউমোনিয়া-শ্বাসকষ্ট এসব রোগও বেড়ে যায়। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি হতে পারে তীব্র থেকে তীব্রতর। আমার মনে হয় বাংলাদেশের প্রস্তুতি মোটেও যথেষ্ট নয়। এখানে মনে রাখতে হবে—আমাদের দেশের মানুষ স্বাস্থ্যবিধি তথা যে কোনো আইন মানতে অভ্যস্ত নয়, তাই তাদেরকে বাধ্য করতে হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে, পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের চিকিত্সার উপকরণ পর্যাপ্ত রাখা, হাসপাতালগুলোতে কড়া মনিটরিং করার মাধ্যমে আমরা এ বিপদ থেকে উত্তরণ পেতে পারি।
ডা. মর্জিনা আক্তার
বারিধারা পাইল্স কিউর সেন্টার, গুলশান, ঢাকা
জনজীবনের স্বাভাবিক কর্মব্যস্ততায় সিংহভাগ মানুষই স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। হাটবাজার, শপিংমল, গণপরিবহন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে শিশু থেকে প্রায় সব বয়সি মানুষের সামাজিক দূরত্ববিহীন ভিড় প্রতিনিয়ত বাড়ছে। শীতপ্রধান বেশ কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। তাই, লকডাউন না দিলেও অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণ কিংবা সবক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে কঠোরভাবে বাধ্য করা সময়ের দাবি।
আবু ফারুক
বনরূপা পাড়া, সদর, বান্দরবান
দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রথম ধাক্কার চিত্র এখনো স্পষ্ট নয়। বর্তমানে অনেক মানুষের জ্বর ও কাশির সমস্যা পরিলক্ষিত হলেও করোনা পরীক্ষার হারও সীমিত। ব্যক্তি, গণপরিবহন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি নিশ্চিত করা না গেলে শীতকালে করোনা পরিস্থিতি নাজুক হতে পারে। সেক্ষেত্রে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নজরদারির বিকল্প নেই।
এ এফ এম সালাহউদ্দীন
বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা
আসলে আল্লাহ তায়ালার অনেক রহমত রয়েছে আমাদের ঘনবসতির এই দেশ বাংলাদেশের ওপর। না হয় এত অনিয়ম ও সীমিত প্রস্তুতির মধ্যে ভালো থাকার কথা নয়। তবু বলা যায়, প্রস্তুতি একেবারে কমও নয়। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ে যে সব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে তার পরিমাণ ১ হাজার ৯৭৬ পৃষ্ঠা। তাই কোনো আশঙ্কা নয় বরং আশা করছি, ব্যাপক প্রস্তুতি ও সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমে আসন্ন শীতেও করোনার সম্ভাব্য প্রকোপ থেকে বাঁচতে পারব ইনশাআল্লাহ।
উবাইদুল্লাহ তারানগরী
দুধনই ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ
দেশের করোনা পরিস্থিতি এখনো আশাব্যঞ্জক নয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ শীতে করোনার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করলেও মানুষের চলাফেরায় অসচেতনতা দিন দিন বাড়ছেই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা গভীর বিপর্যয়ে পড়তে বাধ্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগাম প্রস্তুতির কথা বললেও সরকারের একারপক্ষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই আমাদের সব ক্ষেত্রে নির্দেশিত স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি অনুসরণ করা উচিত।
মোহাম্মদ ফয়সাল
১৪৬, ডিটি রোড, পূর্ব মাদারবাড়ি, চট্টগ্রাম
শীতের শুরুতে শিশু ও বয়স্কদের ঠান্ডা-কাঁশি বেশি দেখা যায়। এ সময় তাদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। করোনার উপসর্গ আর ঠান্ডাজনিত রোগের একই লক্ষণ। এ লক্ষণ সামান্য দেখা দিলে তাত্ক্ষণিক চিকিত্সকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। বর্তমানে দেশে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না ৮০ শতাংশ মানুষ। এজন্য দরকার সকল প্রকার মিডিয়ায় প্রচার-প্রচারণা। এবার অসহায় গরিব শ্রেণির জন্য বিনা মূল্যে বেশি বেশি শীতবস্ত্র বিতরণ করতে হবে। বিগত বছরগুলোতে শীত শেষে দরিদ্র শ্রেণির মধ্যে বিনা মূল্যে শীতবস্ত্র বিতরণ হয়েছে। এবার শীতের পূর্বেই ব্যবস্থা নিতে হবে।
জিয়াউল হক সরকার
পূবাইল, গাজীপুর
বাংলাদেশে করোনা বেশ শক্তভাবেই জেঁকে বসেছে। রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকিও। এই দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি কিংবা করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দেওয়ার জন্য দেশের সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। এ সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করছে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে চলমান রাখা এবং দেশের সাধারণ জনগণের জীবনমানের উন্নতি সাধন করা। দেশের জনগণ যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, সচেতনতা অবলম্ব্বন করে, তাহলে আশা করা যায়, করোনার ঢেউয়ের আশঙ্কার বিপরীতে পরিপূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করা যাবে।
ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর
করোনার কাছে নত না হয়ে, করোনাকে ভয় না করে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে জয় করতে হবে করোনা এবং দ্বিতীয় দফা লকডাউন।
সালেহা আফরিন বেবী
শিবগঞ্জ, সিলেট
আমি একজন বেসরকারি চাকরিজীবী প্রতিদিন সকালে অফিসে আসার জন্য অফিসের গাড়ির জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকি। রাজধানী ঢাকা শহরে বহু মানুষকে দেখি মাস্ক ছাড়া চলতে। এমনকি আমার অনেক সহকর্মীকে দেখি মাস্ক ছাড়া অফিসে কাজ করতে। হয়তো প্রশাসন বলার পর হাসি দিয়ে মাস্কটি পরে নিল। একজন শিক্ষিত মানুষের বেলায় যদি এমন হয়! তবে দেশের অবস্থা কি তা সহজেই অনুমেয়।
মোহাম্মদ সাইয়েদুল ইসলাম
গেন্ডা কুঠি, শ্যামলী, ঢাকা
সম্প্রতি সংক্রমণের হার আগের তুলনায় কমায় অনেকেই আত্মতুষ্টিতে ভুগছে এবং অনেকে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা শুরু করেছে। এটি হলে বিপদ আরো বাড়বে। বিশ্বের অনেক দেশে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ ঘটেছে এবং তা প্রথম দফার চেয়ে ভয়াবহ। সুতরাং সেই শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।
মো. জিল্লুর রহমান
সতীশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
কবে নাগাদ করোনার টিকা পাওয়া যাবে তা যেহেতু নিশ্চিত নয়; আবার এ মুহূর্তে জীবিকা ও অর্থনীতির স্বার্থে লকডাউনও সম্ভব নয়। সুতরাং স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব মেনে চলাই মূল ভরসা। সবাই যেন এ নির্দেশনা মেনে চলেন, সেজন্য সরকারের সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি সর্বত্র স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও সক্রিয়তা কাম্য।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর
দেশে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও করোনা পরিস্থিতি কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণে না আসা হতাশাজনক। আমরা দেখছি, শীতের আগে থেকেই কিছু দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবার বাড়তে শুরু করেছে। সুতরাং আমাদের প্রস্তুতি যে জোরালো হওয়া দরকার, তা বলাই বাহুল্য।
বিলকিছ আক্তার
কাউনিয়া, রংপুর
মানুষের মধ্যে সর্বজনীনভাবে মাস্ক ব্যবহার, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়ার অভ্যাস বাড়ানো এবং পরীক্ষা ও আইসোলেশনের মতো স্বাস্থ্যবিধির কঠোর প্রয়োগের ওপর আমাদের গুরুত্বারোপ করতে হবে।
মো. হাছিবুল বাসার মানিক
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কেন বাংলাদেশ ভালো অবস্থায় তার কারণ বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ কঠিন শারীরিক পরিশ্রম করে। এ কারণে শরীর দিয়ে ঘাম বের হয়ে যায়; এতে করে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং ভিটামিন ডি তৈরি হয়। সে জন্য করোনা আক্রমণ কম। আমি মনে করি, এটা আল্লাহর রহমত। আল্লাহ আমাদের রক্ষা করবেন। শীতে তেমন বেশি প্রভাব পড়বে না।
মো. আনিসুর রহমান
ফুলতলা, খুলনা
শীতপ্রধান দেশে করোনার প্রভাব বেশি। বিশেষ করে যে সব ব্যক্তি এসি (বাসা/ অফিস/ গাড়ি) ব্যবহার করে, তারাই বেশি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। বাংলাদেশে শীতে এমনিতেই আমাদের জ্বর, সর্দি, কাশি ইত্যাদি হয়ে থাকে। এ সময় যদি কেউ করোনায় আক্রান্ত হয় তাহলে প্রতিরোধ করা খুবই কষ্টকর হবে। আমাদের সরকারের দিকে চেয়ে না থেকে নিজেদের অবশ্যই সচেতন হতে হবে।
মো. জনী শেখ
বড় ডাঙ্গাপাড়া, বাংলাহিলি, হাকিমপুর, দিনাজপুর
আসন্ন শীতে করোনার প্রকোপ আরো বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সে জন্য মাননীয় শেখ হাসিনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানাচ্ছি। শুধু সরকারের এই প্রস্তুতি নিলেই হবে না। আপামর জনগণের মধ্যে এ ব্যাপারে সতর্কতা ও সচেতনতা অনেক বাড়াতে হবে।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
প্রবাদে আছে, ‘যা রটে তা কিছু না কিছু ঘটে’। আসন্ন শীত মৌসুমে করোনা প্রকোপ বৃদ্ধির আশঙ্কাটি একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ ব্যাপারে আমাদের সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এর প্রতিরোধের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য প্রস্তুতি অবশ্যই রাখতে হবে।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী হিফজু
হাউজিং স্টেট, রাজশাহী
শীতকালে যদি সত্যি করোনার প্রবলতা বেড়ে যায়, তাহলে এখনই তাদের সচেতন করার প্রয়োজন রয়েছে। এ ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে হ্যান্ডবিল, পোস্টার, প্রিন্টিং এবং ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার এখনই সতর্কতামূলক আলোচনা এবং বিজ্ঞাপন প্রচার করা অত্যন্ত জরুরি বলে আমি মনে করি।
মাখরাজ খান, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ
সাধারণ মানুষের মধ্যে একধরনের স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে অনেকটা শিথিলতা চলে এসেছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে কাজ শুরু করেছে সরকার। বিষয়টি অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
মো. মনিরুজ্জামান মামুন, মানিকনগর, ঢাকা
করোনায় সতর্কতার দরকার আর সতর্কতা শুধু করোনার জন্য নয়, সব রোগের জন্য। তবে করোনার মহামারিকে আগের মতো ভয় করি না। কর্মব্যস্ত থাকলে করোনা রোগ হতে পারে না। সারা বিশ্ব থেকে করোনা ভাইরাস রোগ চিরবিদায় হোক—সেটাই প্রত্যাশা করছি।
প্রহরী মনিরুজ্জামান
বিমানবন্দর, উত্তরা, ঢাকা
করোনা ভাইরাস বেড়ে যাওয়ায় আবারও হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারতসহ বিভিন্ন দেশ। তাই আসন্ন শীতে করোনার প্রকোপ যাতে বৃদ্ধি না পায় সে ব্যাপারে এখনই সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
আমাদের দেশে করোনা মহামারি এখন অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে। তাছাড়া এখানে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় করোনার প্রকোপ এখন তেমন নেই বললেই চলে। তবে আসন্ন শীত মৌসুমের জন্য যে আগাম বার্তা বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন সেটা অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রয়োজনে শীত মৌসুমে কাজের গতি কমিয়ে আনা আবশ্যক।
রাসেল আহমেদ, সাংবাদিক
মুগদা, ঢাকা
আমাদের দেশে করোনার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম—এটা আল্লাহর রহমত। আমাদের সচেতন থাকতে হবে। তবে গরম বা শীত নয়, একমাত্র আল্লাহ্ তায়ালাই আমাদের ভরসা।
মোহাম্মদ আল আমীন সুমন
সরিকল, গৌরনদী, বরিশাল
মধ্যপ্রাচ্যের অনেক শীতপ্রধান দেশ ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় মেয়াদে লকডাউন ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া যুক্তরাজ্য লকডাউন যথাযথভাবে কার্যকরের জন্য কারফিউ জারি করেছে। করোনার টিকা আবিষ্কার হলেও বিস্তার যদি রোধ করা না যায় তাহলে এই ভাইরাসের সংক্রমণ দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ অবস্থায় আমাদের অর্থনীতির চাকা যেমন সচল রাখতে হবে তেমনি করোনা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
মোহাম্মদ ইসলাম
পায়েরখোলা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা
আমাদের দেশে সাধারণত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস শীত প্রবল থাকে। এই সময়ে এমনিতেই ঠান্ডা, কাশি, জ্বর ইত্যাদির প্রকোপ দেখা যায়। শীতে অনেক রোগ-শোক হয়ে থাকে। আর এখন কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ চলছে। এখন যদিও কম, কিন্তু আসন্ন শীতে করোনার প্রকোপ আরো বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে এ কথা সত্য।
মো. আবদুল মতিন
বড়জালিয়া, হিজলা, বরিশাল
