গত ২০ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার-মহেশখালী নৌরুটে যাত্রীবাহী গামবোট নিয়ন্ত্রণ হারালে ফিশিংবোটের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। তখন গামবোট থেকে পড়ে যাওয়া কলেজ-ছাত্র তোফাইলকে আর পাওয়া যায়নি। পরের দিন তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে একটি প্রাণ ঝরে গেল। চট্টগ্রাম কলেজের দর্শন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল সে।
দায়ী কে? অসচেতনতা ও ত্রুটিযুক্ত ব্যবস্থা? নিশ্চয়ই তাই। যার কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনা। বোটের সংখ্যা বাড়ছে, বাড়ছে না দক্ষ চালকের সংখ্যা। নিয়মনীতি মানছে না কেউ। অর্থ উপার্জনের লড়াইয়ে চলছে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা। যাত্রীদের দেওয়া হচ্ছে না লাইফ জ্যাকেট। কর্তৃপক্ষের কাছে জোর আবেদন, দক্ষ বোটচালককে লাইসেন্স দিন। লাইসেন্স ছাড়া কেউ যেন বোট চালাতে না পারে। যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থা করুন। যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত হোক। আইন উপেক্ষা করে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা না হলে আমাদের আরো অনেক তোফাইলকে হারাতে হবে। যে মৃত্যুতে শুধু পরিবারকে নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
কাইমুল ইসলাম ছোটন
শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ,
রাঙামাটি সরকারি কলেজ
