এবার সুপার কাপও বায়ার্নের

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ২১:১৪

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা দল উয়েফা সুপার কাপ জেতেনি, এমন নজির ইতিহাসে খুব কম। তার ওপর দলটা যখন গেল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৪৩ গোল করা বায়ার্ন মিউনিখ, তখন ইউরোপা-জয়ী সেভিয়ার সম্ভাবনাটা কমে যায় এমনিতেই। তবে এতসব তথ্যকে একপাশে রেখে সেভিয়া রীতিমতো চমকেই দিয়েছিল বায়ার্নকে। সে চমক সামলে অবশ্য শেষে ব্যাভারিয়ানরাই ২-১ ব্যবধানে জিতেছে শিরোপা।

বায়ার্নের এ জয়ের নায়ক অবশ্যই হাভি মার্টিনেজ। ১০৪ মিনিটে ১-১ সমতায় থাকা অবস্থায় তার গোলেই তো জয় নিশ্চিত করে কোচ হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা! বায়ার্নের আগের সুপারকাপ জয়ের নায়কও বনেছিলেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডারই। ২০১৩ সালে চেলসির বিপক্ষে সে ম্যাচে ১২১ মিনিটে সমতায় ফিরিয়েছিলেন দলকে, পরে পেনাল্টি শুটআউটে জেতে বায়ার্ন। কাকতালীয়ভাবে সেবারও বদলি হিসেবেই মাঠে এসেছিলেন মার্টিনেজ!

কিন্তু এবার স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। মূল একাদশে জায়গা হারিয়েছিলেন, ফলে স্পেনে ফিরে যাওয়ার ভাবনাও বহুবার খেলেছে মনে। এদিনও এসেছিলেন বদলি হিসেবেই, তারপরই গোল! একে মার্টিনেজ দেখছেন স্বপ্নপূরণ হিসেবেই। বললেন, ‘যখনই আমি বায়ার্নের জার্সি পরি, নিজের সেরাটাই দিতে চাই। আমি আজও এটা দেখিয়েছি। দলকে গোল করে সাহায্য করতে চাইছিলাম, এটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো।’

তবে এর আগের গল্পটা সেভিয়া-বীরত্বের। ম্যাচের শুরু থেকেই দারুণ প্রতিরোধ দেখানো স্প্যানিশ দলটি এগিয়ে যায় ম্যাচের ১৩ মিনিটেই, লুকাস ও ক্যাম্পোসের গোলে। ৩৪ মিনিটেই অবশ্য লিওন গোরেত্স্কার গোলে সমতা ফেরায় বায়ার্ন।

ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় থমাস মুলার নির্বাচিত হলেও, শেষের নায়ক মার্টিনেজকে ধন্যবাদ দিতে ভোলেননি তিনি। জার্মান ফরোয়ার্ডের কথা, ‘আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি, দল হিসেবে জয়ী মানসিকতা দেখিয়েছি, এমনকি যখন আমরা নিজেদের সেরা ছন্দে নেই তখনো! দলকে অভিনন্দন, আমাদের জনাব সুপার কাপ হাভিকেও!’