আগের দিনের তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা কমেছে ৪২৭টি। একই সঙ্গে কমেছে করোনায় আক্রান্ত নতুন ব্যক্তি শনাক্তের সংখ্যা এবং করোনায় মৃত্যুর সংখ্যাও। আগের দিন নতুন করে ১ হাজার ৫৪০ জন শনাক্ত হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় এ সংখ্যা ১ হাজার ৩৮৩। আর আগের দিনের ২৮ জনের মৃত্যুর বিপরীতে গতকাল করোনা সংক্রমণে মারা গেছেন ২১ জন।
গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মোট ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৭ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৫ হাজার ৯৩ জন। আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ২৪ জন। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১১ দশমিক ০৯ শতাংশ, আগের দিন ছিল ১১ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে মোট শনাক্তের হারও আরেকটু কমেছে। আগের দিন তা ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ থাকলেও গতকাল এই হার দাঁড়ায় ১৮ দশমিক ৯০ শতাংশে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত এক দিনে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ১৪ জন, নারী সাত জন। তাদের সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ১০ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, চার জনের ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং সাত জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছিল। ১৬ জন ঢাকা বিভাগের, দুই জন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং একজন করে মোট তিন জন রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর বিভাগের বাসিন্দা।
দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৫ হাজার ৯৩ জনের মধ্যে ৩ হাজার ৯৪৯ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ১৪৪ জন নারী। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৫৭৩ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ১ হাজার ৩৮১ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৬৬১ জন ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ২৯৪ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১১৮ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৪২ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ২৪ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম। এর মধ্যে ২ হাজার ৫২৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৫২ জন চট্টগ্রাম, ৩৩৬ জন রাজশাহী, ৪২৮ জন খুলনা, ১৮৬ জন বরিশাল, ২২৪ জন সিলেট, ২৩৭ জন রংপুর এবং ১০৭ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা।
