নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

জাতীয় সম্পদ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৯:৫৭

পাঠ্যবই পড়ে সেখান থেকে নিজে নিজে প্রশ্ন তৈরি করা ও সাথে সাথে উত্তর তৈরি করা ‘আমরা পড়ি’-এর প্রধান কাজ। এতে শিক্ষার্থীর পুরো অধ্যায় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা সৃষ্টি হবে এবং জ্ঞানস্তর ও বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর দিতে সহায়ক হবে।

 

১. অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কী?

উ:যে পদ্ধতি, প্রক্রিয়া এবং নিয়মনীতির আওতায় কোনো দেশের অর্থনীতি পরিচালিত হয়, তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে।

২. সম্পদ কী?

উ:যে সকল বস্তুর উপযোগ, অপ্রাচুর্য, বাহ্যিকতা এবং হস্তান্তর যোগ্যতা আছে সে সকল বস্তুকে সম্পদ বলে।

৩. সম্পদের শ্রেণি বিভাগ কত ধরনের ও কী কী?

উ:পাঁচ ধরনের।

ক. ব্যক্তিগত সম্পদ।

যেমন:ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গা-জমি, বাড়িঘর, কলকারখানা, অর্থসম্পদ, গাড়ি,  দ্রব্যসামগ্রী ইত্যাদি।

খ. একান্ত ব্যক্তিগত সম্পদ।

হস্তান্তরযোগ্য নয় এমন। যেমন:নিজস্ব প্রতিভা, ব্যক্তির দক্ষতা।

গ.সমষ্টিগত সম্পদ।

সমাজের যে সকল সম্পদ সকলে সম্মিলিতভাবে ভোগ করে।

যেমন-রাস্তাঘাট, রেলপথ, বাঁধ, পার্ক, সরকারি স্কুল-কলেজ, রাষ্ট্রের মালিকানাধীন সকল প্রাকৃতিক সম্পদ ( বনাঞ্চল, খনিজ সম্পদ, নদ-নদী) ইত্যাদি।

ঘ.জাতীয় সম্পদ।

ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগত সম্পদ একত্রে এবং জাতির নাগরিকের গুণবাচক বৈশিষ্ট্য, যেমন:কর্মদক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ইত্যাদি ।

ঙ.আন্তর্জাতিক সম্পদ।

সাগর-মহাসাগর, পেটেন্টবিহীন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প্রযুক্তি ইত্যাদি।

৪. জাতীয় সম্পদের উত্স কী কী?

উ:প্রকৃতি প্রদত্ত-প্রকৃতির তৈরি সবকিছু।

মানবসৃষ্ট-মানুষ তার শ্রম ও মূলধন দিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে অর্থাত্ মানুষের তৈরি সকল সম্পদ।

৫. বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয়রোধে আমাদের করণীয় কী?

ক. জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্রীয় যেসব নিয়ম আছে, সেগুলো যথাযথ পালন করা।

খ. সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে গাছ কাটা, পশুপাখি শিকার করা ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের ক্ষতিসাধন থেকে বিরত থাকা।

গ. জাতীয় সম্পদের উন্নয়ন ও বৃদ্ধিসাধনের জন্য সচেষ্ট থাকা।

ঘ. অপব্যবহার ও অপচয়রোধে সচেতন ও সচেষ্ট থাকা।

ঙ. সম্পদ সংরক্ষণের জন্য নিজ নিজ কর্তব্য বিষয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।

চ. দায়িত্ব পালনে সকলকে সচেতন করতে হবে।

ছ. প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিতে হবে।