অজ্ঞাত নাম্বার থেকে আসা ফোনকলে কিশোরীর কণ্ঠ শুনে কলেজপড়ুয়া ছেলেটি ভুল নাম্বারে ফোন এসেছে ভেবে কথা বলতে চায়নি। কিন্তু কিশোরী কণ্ঠটি পরিচয় জানতে চেয়ে বলে—সমস্যা নেই অপরিচিত হলেও আমরা তো পরিচিত হতে পারি। ছেলেটি ‘সরি’ বলে লাইন কেটে দেয়। চারদিন পর সেই অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন এলে ছেলেটি রিসিভ করে; কিশোরীটি বলে, আমি ভুল করে এর আগে আপনার নাম্বারে ফোন করেছিলাম। আপনার সঙ্গে অল্প সময় কথা বলে আমি আপনার ভদ্রতায় মুগ্ধ হয়েছি। যদি কিছু মনে না করেন তাহলে আমি আপনার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাই। ছেলেটি মেয়েটির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। কিন্তু উপুর্যপরি অনুরোধে কিছুদিন দুজনের মাঝে ফোনে কথা হয়। দুজন দুজনকে পছন্দ করতে শুরু করে। এভাবে তিন-চার মাস পার হলে ছেলেটি মেয়েটির জন্য উপহারসামগ্রী পাঠায়। মেয়েটির কাছ থেকেও উপহারসামগ্রী আসে। এভাবে নিয়মিত যোগাযোগের এক পর্যায়ে মেয়েটি ছেলেটির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে। ছেলেটি তার বাবা-মায়ের অজ্ঞাতসারে মেয়েটির সঙ্গে দেখা করতে যায়। কিন্তু মেয়েটির ছিল অসত্ উদ্দেশ্য। সে আগে থেকেই তার সহযোগী গুন্ডাপান্ডাদের তৈরি করে রেখেছিল। কৌশলে ছেলেটিকে আটক করে তার পরিবারের কাছে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না পেলে ছেলেকে লাশ বানিয়ে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়। অবশেষে মুক্তিপণের টাকা দিয়ে ছেলেকে উদ্ধার করে পরিবার।
সাইফুল ইসলাম তালুকদার
ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ
