আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ভার্চুয়াল কোর্টের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারের অধিক মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। কারাগারগুলোতে ওভার পপুলেশনের সমস্যা নিরসন করা হয়েছে। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল কোর্টের অনেক সাফল্য পাওয়া গেছে। ভার্চুয়াল কোর্টকে আরো সাফল্যমণ্ডিত করতে গেলে বিচারক ও আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। মুন্সীগঞ্জে প্রায় ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আট তলাবিশিষ্ট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গতকাল রবিবার ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
আইনমন্ত্রী বলেন, ভার্চুয়াল কোর্টকে আরো সাফল্যমণ্ডিত করতে প্রধান বিচারপতি যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, তাতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করার জন্য আইসিটি বিভাগকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে, যা এখন পরিকল্পনা কমিশনে আছে। এই প্রকল্প কিছুদিনের মধ্যে একনেক মিটিংয়ে উঠবে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৩১ লাখ মামলার জট থাকবে না। আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগকে আরো শক্তিশালী করার জন্য মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় বাংলাদেশ জুডিশিয়াল একাডেমি স্থাপন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আইনজীবীদের জন্য ১১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ তলাবিশিষ্ট বার কাউন্সিল ভবন নির্মাণের কাজ চলছে।
মুন্সীগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হোসনে আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রোকেয়া রহমান, পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. জাকারিয়া মোল্লা প্রমুখ বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা।
