চলতি বছরে বায়ার্ন মিউনিখ যেমন অদম্য ছন্দে, তাতে দলটি যে হারতে পারে—সেটাই অবিশ্বাস্য ঠেকছিল শেষ কিছুদিনে। সেই বায়ার্নই হফেনহেইমের কাছে হেরেছে, তাও ৪-১ ব্যবধানে! ব্যাভারিয়ানদের কালো রাতে বড় হারের কবলে পড়েছে ম্যানচেস্টার সিটিও। লেস্টার সিটির কাছে হেরেছে ৫-২ ব্যবধানে। এদিকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জোড়া গোল সত্ত্বেও জুভেন্তাস রোমার সঙ্গে ২-২ ড্র করেছে।
বায়ার্ন মিউনিখে শেষ হারটা এসেছিল গেল বছরে, বরুসিয়া মুনশেনগ্লাডবাখের কাছে ৫-১ ব্যবধানে হেরেছিল বায়ার্ন। এর পর থেকেই যেন অদম্য ছিল দলটি, শেষ ২৩ ম্যাচে তো ড্র-ই করেনি কোচ হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা! মধ্যে বার্সেলোনা, চেলসির মতো দলকে উড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে জেতে ‘ট্রেবল’।
সেই বায়ার্নকেই ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে রবিবার রাতে মাটিতে নামিয়ে আনে হফেনহেইম।
এদিকে সিটিরও কপাল পুড়েছে একই রাতে। তবে হারের ব্যবধানটা নতুন এক অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে কোচ পেপ গার্দিওলাকে। কোচিং ক্যারিয়ারে এর আগে কখনোই পাঁচ গোল হজম করেননি স্প্যানিশ এই কোচ।
ম্যাচে অবশ্য তার দলই এগিয়ে গিয়েছিল প্রথম। রিয়াদ মাহরেজের পঞ্চম মিনিটের গোলটির পরই যেন প্রলয়নাচন শুরু লেস্টারের। ৩৭, ৫৩ ও ৫৭ মিনিটে গোল করে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে গার্দিওলার দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকের দেখা পান জেমি ভার্ডি, প্রথমটা পেয়েছিলেন ২০১৬ সালে। এরপর ৭৭ আর ৮৭ মিনিটে জেমস ম্যাডিসন ও য়ুরি তিয়েলমান্সের গোলে বড় জয় পায় ব্রেন্ডন রজার্সের শিষ্যরা।
এদিকে রোনালদো আর জুভেন্তাসেরও রাতটা কেটেছে একরাশ হতাশায়। জোড়া গোল করেছেন, গড়েছেন প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে ৪৫০ গোলের রেকর্ডও; কিন্তু এসবও রোমার বিপক্ষে দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়ে ওঠেনি। ২-২ ড্র করেছে তার দল। ফলে কোচিং ক্যারিয়ারে প্রথম হোঁচটেরও শিকার হন কোচ আন্দ্রে পিরলো।
