নগরীতে বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে গিয়ে তারই সহায়তায় এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে। রবিবার রাতে নগরীর সুপারিওয়ালা পাড়ায় জনৈক চান্দু মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলো বান্ধবী নুরী আক্তার (২০), তার স্বামী মো. অন্তর (২২) ও ধর্ষকের সহযোগী রাজিব হাসান (৩০)। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ধর্ষক চান্দু মিয়া পলাতক রয়েছে।
ডবলমুরিং থানার উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম বলেন, অন্তর দম্পতি চান্দু মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকে। ঘটনার শিকার ২০ বছর বয়সি ঐ তরুণী কয়েক সপ্তাহ আগে ফেনী থেকে আগ্রাবাদে চাচার বাসায় বেড়াতে আসে। তার চাচাত বোনের বান্ধবী নুরী। সেই সুবাধে নুরীর সঙ্গে ঐ তরুণীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হয়। গত রবিবার সন্ধ্যায় মেয়েটিকে নুরী তার বাসায় বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে যায়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে নুরী কৌশলে তাকে চান্দু মিয়ার বাসায় পৌঁছে দেয়। দরজা বন্ধ করে নুরী বাইরে পাহারায় ছিল। চান্দু ঘরের মধ্যে ঐ তরুণীকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর নুরী মেয়েটিকে তার চাচার বাসায় পৌঁছে দেয়। তার বিধ্বস্ত অবস্থা দেখে বাসার লোকজন জিজ্ঞাসা করলে সে সব কিছু খুলে বলে। তখন তাকে চমেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ডবলমুরিং থানায় খবর দেওয়া হয়। এস আই নুরুল ইসলাম আরো জানান, খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে নুরী ও তার স্বামী অন্তরকে গ্রেফতার করা হয়। চার দিন আগে তাদের বিয়ে হয়েছে। পরে ধর্ষক চান্দু মিয়ার সহযোগী রাজিব হাসানকে গ্রেফতার করা হয়।
