এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণ ঘটনার প্রধান আসামি সাইফুর ও অর্জুনকে সোমবার দুপুরে আদালতে হাজির করে পুলিশ রিমান্ড চাইলে আদালত তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রিমান্ড শুনানিকালে আদালতের বিচারক ঐ দুই আসামির বক্তব্য জানতে চাইলে তারা দুই জন আদালতকে জানায়, ছাত্রাবাসের ঘটনার সঙ্গে আমরা জড়িত নই। আমরা কোনো অপরাধ করিনি। এই ঘটনা ঘটিয়েছে রাজন, তারেক ও আইনউদ্দিন। এদিকে রিমান্ড শুনানিকালে আসামি সাইফুর রহমান ও অর্জুন লস্করের পক্ষে কোনো আইনজীবী ওকালতনামা আদালতে দাখিল করেননি।
এর আগে পুলিশ প্রহরায় প্রিজন ভ্যানে করে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সাইফুর ও অর্জুনকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। এরপর দুপুর ১২টার দিকে আদালত এই আদেশ দেয়। রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি অ্যাডভোকেট খোকন কুমার দত্ত জানান, আদালতে রিমান্ড শুনানিকালে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ওকালতনামা দাখিল করেননি। তবে বাদী পক্ষের হয়ে বেশ কয়েক জন আইনজীবী শুনানিকালে উপস্থিত ছিলেন। আদালত আসামিদের বক্তব্য শোনার পর পরই এই মামলার আইও ইন্দ নীল ভট্রাচার্যের আবেদনে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
ফোন ট্র্যাক করে আটক : এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে নববধূ (২০) ধর্ষণ ঘটনার পর আত্মগোপনে ছিল স্বামীর দায়ের করা মামলার এজাহার নামীয় ছয় আসামি। পরবর্তী সময়ে ১৬ ঘণ্টায় ধরা পড়ে এজাহারনামীয় চার আসামিসহ পাঁচ আসামি। এর মধ্যে চার জনকে এমসি কলেজের এক ছাত্রলীগ নেতার ফোন নম্বর ট্র্যাক করে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায় অপর আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
